📌 ২ অক্টোবর (শুক্রবার) বাংলাদেশে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উদযাপিত হবে। এই দিবসের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীর মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে র্যালি ও প্রোডাকটিভিটি ইনোভেশন ফেয়ার
২ অক্টোবর (শুক্রবার) বাংলাদেশে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উদযাপিত হবে। এই বিশেষ দিবসের মূল লক্ষ্য দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবা খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) উদ্যোগে এই দিবসটি উদযাপিত হবে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ অক্টোবর (শুক্রবার) বাংলাদেশে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উদযাপিত হবে।
- 📌 দিবসটির প্রতিপাদ্য: ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’।
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনের জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য’।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই’।
- 📌 ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত উন্নীত করার লক্ষ্য রেখেছে সরকার।
- 📌 শুক্রবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর-১ (চিড়িয়াখানা রোড) বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে র্যালি ও ‘ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি ইনোভেশন ফেয়ার’।
- 📌 প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের উদ্দেশ্য হলো দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবা খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধি। এই দিবসের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’। এই দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে সরকার উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাণীতে বলেছেন, ‘সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনের জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।’ তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ‘টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের যথাযথ ও সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে একটি অধিক উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণীতে বলেছেন, ‘শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে আমাদের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে।’ তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ‘ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা।’
"সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনের জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।"
"টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের যথাযথ ও সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে একটি অধিক উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর মিরপুর-১ (চিড়িয়াখানা রোড), বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ অক্টোবর, ৭টা ১৫ মিনিট, ২০৩৪, ১ ট্রিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!