📌 ময়মনসিংহের নান্দাইলের চরাঞ্চল থেকে কাঁচা পেঁপে ট্রাক যাত্রায় পেকে হলুদ হয়ে ঢাকার বাজারে পৌঁছায়। পাইকাররা দাবি, কাগজে মুড়িয়ে রাখা পেঁপেগুলো ট্রাক যাত্রায় স্বাভাবিকভাবে পাকছে। কিন্তু স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, কৃত্রিম রাসায়নিক ব্যবহার করে পেঁপেগুলোকে পাকা করা হয়। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, রাসায়নিকযুক্ত পেঁপে খাওয়ার ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চরাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা কাঁচা পেঁপে ট্রাক যাত্রায় মাত্র চার-পাঁচ ঘণ্টায় পেকে ঢাকার বাজারে পৌঁছাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি, কাগজে মুড়িয়ে রাখা পেঁপেগুলো স্বাভাবিক তাপে পাকছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক ব্যবহার করে পেঁপেগুলোকে পাকা করা হয়। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, রাসায়নিকযুক্ত পেঁপে খাওয়ার ফলে লিভার, কিডনি বিকল হওয়ার সাথে সাথে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক ব্যাধির ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ১৩ নম্বর চর বেতাগৈর ইউনিয়ন থেকে কাঁচা পেঁপে প্রতি কেজি ১০-১২ টাকায় কেনা হয়, পরে ঢাকার বাজারে ১৫০-২০০ টাকায় বিক্রি হয়
- 📌 ট্রাক যাত্রায় মাত্র চার-পাঁচ ঘণ্টায় কাঁচা পেঁপে পেকে হলুদ হয়ে ঢাকায় পৌঁছায়, যা স্থানীয়রা কৃত্রিম পাকানোর অভিযোগ করে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি, পেঁপেগুলোতে রাসায়নিক স্প্রে মেশিন দিয়ে তরল রাসায়নিক ছিটানো হয়, যা পেঁপেগুলোকে কৃত্রিমভাবে পাকা করে
- 📌 স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শামীমা সুলতানা জানান, রাসায়নিকযুক্ত পেঁপে খাওয়ার ফলে লিভার, কিডনি বিকল হওয়ার সাথে সাথে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়
- 📌 নান্দাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈমা সুলতানা বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং রাসায়নিক ব্যবহার প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চরাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা কাঁচা পেঁপে ট্রাক যাত্রায় পেকে ঢাকার বাজারে পৌঁছাচ্ছে। স্থানীয় পাইকাররা জানান, চর বেতাগৈর ইউনিয়ন, চরশ্রীরামপুর ও আনন্দ বাজারসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাগান থেকে প্রতি কেজি ১০-১২ টাকায় কাঁচা পেঁপে কেনা হয়। পরে তা কাগজে মুড়িয়ে বড় বড় ঝুড়িতে ভরে ট্রাকে তোলা হয়। ট্রাক যাত্রায় চার-পাঁচ ঘণ্টায় পেঁপেগুলো পেকে ঢাকার কারওয়ান বাজারে পৌঁছায়।
এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান দাবি করেন, কাঁচা পেঁপেতে কোনো রাসায়নিক বা ওষুধ দেওয়া হয় না। তিনি বলেন, কাগজে মুড়িয়ে রাখা পেঁপেগুলো স্বাভাবিক তাপে পাকে যায়। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন, পেঁপেগুলোতে কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক স্প্রে করা হয়, যা পেঁপেগুলোকে পাকা করে। তারা বলেন, একটি অসাধু চক্র এই কাজে জড়িত।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শামীমা সুলতানা জানান, রাসায়নিকযুক্ত পেঁপে খাওয়ার ফলে মানুষের লিভার ও কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে। এছাড়া ক্যান্সারের মতো মারাত্মক ব্যাধির ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং কোনো নিষিদ্ধ রাসায়নিক ব্যবহার প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"কাঁচা পেঁপেতে কোনো ওষুধ বা রাসায়নিক দেওয়া হয় না। পেঁপেগুলো স্বাভাবিক তাপে পাকে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা, চর বেতাগৈর ইউনিয়ন, চরশ্রীরামপুর, আনন্দ বাজার, ঢাকার কারওয়ান বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহজাহান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শামীমা সুলতানা, কৃষি কর্মকর্তা নাঈমা সুলতানা, স্থানীয় বাসিন্দারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-১২ টাকা (কেজি প্রতি কাঁচা পেঁপে), ১৫০-২০০ টাকা (বিক্রয় দাম), ১৫০টি পেঁপে গাছের বাগান, ৭০ হাজার টাকা (বাগান কেনার মূল্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!