📌 ৬৮ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলায় প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমের সিইও, সিএফও ও তিন পরিচালকসহ পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে অর্থঋণ আদালত। আদালত ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে
৬৮ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলায় প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের (পিবিটিএল) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহবুব চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) মো. ফরিকুল হাসান এবং তিন পরিচালকসহ পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। রাজধানীর অর্থঋণ আদালত–৭-এর বিচারক মো. ফরিদ উদ্দীন গত বুধবার এই আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্যাসিফিক টেলিকমের সিইও মেহবুব চৌধুরী, সিএফও ফরিকুল হাসান ও তিন পরিচালকসহ পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
- 📌 মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ৬৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকার ঋণখেলাপি মামলায় আদালতের এই সিদ্ধান্ত
- 📌 আদালত ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে, প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পাঁচজন ব্যক্তির মধ্যে রয়েছে পরিচালক নাসরিন খান ও মো. মোর্শেদ খান
📰 বিস্তারিত
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের (পিবিটিএল) বিরুদ্ধে ৬৮ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৮ টাকা ২৩ পয়সার ঋণখেলাপি মামলায় বিচারপতি মো. ফরিদ উদ্দীন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পাঁচজন কর্মকর্তাকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হবে।
২০১৮ সালের ৫ জুলাই এমটিবি অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে ১৩ মে আদালত ব্যাংকের পক্ষে রায় দেন। তবে ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংকটি ২৭ জুলাই অর্থঋণ জারি মামলা দায়ের করে। এই মামলার কার্যক্রমে আদালতের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন মঞ্জুর হয়।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে পিবিটিএলের সিইও মেহবুব চৌধুরী, সিএফও মো. ফরিকুল হাসান, পরিচালক নাসরিন খান, পরিচালক মো. মোর্শেদ খান এবং আসগর করিম।
"আদালতের রায় ও ডিক্রির দায় এড়াতে না পেরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর অর্থঋণ আদালত–৭
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মো. ফরিদ উদ্দীন, সিইও মেহবুব চৌধুরী, সিএফও মো. ফরিকুল হাসান, পরিচালক নাসরিন খান ও মো. মোর্শেদ খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ঋণখেলাপি, ৫ জন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ১৮ নভেম্বর গ্রেপ্তারের নির্দেশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!