📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এমআরএ চায় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের পর্ষদ বাতিল ও প্রশাসক নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা: সরকার আইন সংশোধন করছে

এমআরএ চায় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের পর্ষদ বাতিল ও প্রশাসক নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা: সরকার আইন সংশোধন করছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকার ক্ষুদ্রঋণ খাতকে আরও নিয়ন্ত্রণে আনতে এমআরএর আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিচ্ছে। নতুন আইনে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও সিইও নিয়োগে এমআরএর অনাপত্তি জানানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে

সরকার ক্ষুদ্রঋণ খাতকে আরও শৃঙ্খলিত করার লক্ষ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিচ্ছে। নতুন আইনে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগে এমআরএর অনাপত্তি জানানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পূর্ণ ক্ষমতা চায় এমআরএ: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা চায় এমআরএ। প্রয়োজনে প্রশাসকের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো যাবে।
  • 📌 সিইও নিয়োগে এমআরএর অনাপত্তি: সিইও নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগেও এমআরএর অনাপত্তি জানানোর ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
  • 📌 ১২৯টি প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কের মতামত: আইনের খসড়া ১২৯টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কিং সংস্থা ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ)-কে দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি কিছু বিষয়ে একমত, কিছু বিষয়ে দ্বিমত জানিয়েছে।
  • 📌 বেতন পার্থক্য ও অনিয়ম: মাঠপর্যায়ের কর্মীদের বেতন ও শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের বেতনের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তিরা অভিজ্ঞতা কম থাকলেও তাদের সন্তানদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া হয়। এমআরএ এই অনিয়মগুলো দূর করার উদ্যোগ নিচ্ছে।
  • 📌 সিডিএফের সতর্কবার্তা: সিডিএফের চেয়ারম্যান মুর্শেদ আলম সরকার বলেছেন, আইনের খসড়া সরকারের বিনিয়ন্ত্রণ উদ্যোগের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ক্ষুদ্রঋণ খাতের ভালো অবস্থা বদলে দেবার চেষ্টা চলছে।

📰 বিস্তারিত

গ্রাহক সুরক্ষা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে সরকার ক্ষুদ্রঋণ খাতের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়াতে চায়। এজন্য মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান আইনটি দুই দশক আগের। নতুন আইনে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে ছয় মাসের জন্য প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রশাসকের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো যাবে।

আইন সংশোধনের খসড়া প্রণয়নের কাজ চলছে। এ নিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক জানান, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পূর্ণাঙ্গ খসড়া এমআরএকে পাঠানো হবে। বর্তমানে কোনো ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগের একক ক্ষমতা এমআরএর নেই। নতুন আইনে সেই ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, ‘এমআরএর সঙ্গে আমরা কাজ করছি। শিগগিরই একটা যৌথ মতামত দেব।’ ব্র্যাকের চেয়ারপারসন হোসেন জিল্লুর রহমান আপাতত কোনো মন্তব্য করতে চান না বলে জানানো হয়েছে।

এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন বলেন, এমআরএ আইন প্রণয়ন এবং এমআরএ গঠনের দুই দশক পার হয়েছে। এর মধ্যে অনেক কিছু বদলে গেছে। এনজিও খাতকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্যই আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের বেতনের পার্থক্য অনেক বেশি। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান বিনা বেতনে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের শুক্র-শনিবারও খাটান। সিইওদের অনেকের বেতন ১৫ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা, যা অনেক ব্যাংকের এমডিরাও পান না।

১১ আগস্ট ঢাকার আগারগাঁওয়ে এমআরএর কার্যালয়ে আইন সংশোধনের ওপর বৈঠক হয়। আরও বৈঠক হবে। এমআরএ বলছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ যদি বড় ধরনের অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত থাকে, তখন শুধু একজন-দুজনকে সরিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব না।

সিডিএফের চেয়ারম্যান মুর্শেদ আলম সরকার বলেন, আইনের খসড়া বিশ্লেষণ করে তাঁরা দেখেছেন, এটি সরকারের বিনিয়ন্ত্রণ উদ্যোগের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি আরও বলেন, এত দিন ব্যাংক-বিমা খাতের যে সর্বনাশ হয়েছে, তার বিপরীতে ক্ষুদ্রঋণ খাত ভালো ছিল। না বুঝে এটিকেও বিপদে ফেলার চেষ্টা চলছে। এমআরএর এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অর্থনীতির চাকা উল্টো দিকে ঘুরবে এবং সরকারের বদনাম হবে।

"মাঠপর্যায়ের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের বেতনের পার্থক্য অনেক বেশি। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান বিনা বেতনে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের শুক্র-শনিবারও খাটান। সিইওদের অনেকের বেতন ১৫ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা, যা অনেক ব্যাংকের এমডিরাও পান না।" — মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন, এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (আগারগাঁওয়ে এমআরএর কার্যালয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমা মোবারেক (সচিব), মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন (ভাইস চেয়ারম্যান), আসিফ সালেহ (ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক), মুর্শেদ আলম সরকার (সিডিএফের চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৯টি প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক, ১১ আগস্ট বৈঠক, ১৫-২০ লাখ টাকা বেতন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖