📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিটার নম্বর ভুলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দিয়েছিল ৫০৬ কোটি টাকার অস্বাভাবিক বিল, সংশোধন করে ১৯৬৩ টাকা রাখে

মিটার নম্বর ভুলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দিয়েছিল ৫০৬ কোটি টাকার অস্বাভাবিক বিল, সংশোধন করে ১৯৬৩ টাকা রাখে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী আলেয়া খাতুনের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে মিটার নম্বর ভুলে ৫০৬ কোটি টাকা দিয়েছিল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সংশোধন করে বিল রাখা হয় ১৯৬৩ টাকা

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ে মিটার নম্বর ভুলে একটি অস্বাভাবিক বিল ইস্যু করা হয়েছিল। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল দিয়েছিল সমিতি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দ্রুত বিল সংশোধন করা হয় এবং প্রকৃত বিল দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৬৩ টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাগুরার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের আলেয়া খাতুনের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে মিটার নম্বর ভুলে ৫০৬ কোটি টাকা দিয়েছিল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি
  • 📌 বিল সংশোধনের পর প্রকৃত বিল দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৬৩ টাকা, বিলম্ব মাশুলসহ ২ হাজার ৫৬ টাকা
  • 📌 মিটার পরিবর্তনের সময় মিটার নম্বর ডিমান্ড চার্জের ঘরে ভুলে বসানোর কারণে অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছিল
  • 📌 আলেয়া খাতুন ৮ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছিলেন
  • 📌 পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মো. রেজাউল করিম ভুল স্বীকার করেছেন

📰 বিস্তারিত

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের একটি ভুলের কারণে মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে অস্বাভাবিক বিল ইস্যু করা হয়েছিল। আলেয়া খাতুন মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। ৮ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁর মিটারের রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং আগের রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে তিনি ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছিলেন।

বিলে ডিমান্ড চার্জের ঘরে মিটার নম্বর ভুলে বসানোর কারণে অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছিল। প্রথম বিলে ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা ডিমান্ড চার্জ দেখানো হয়েছিল। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকার ভ্যাট ও ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ বিল পরিশোধের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।

বিলটি হাতে পাওয়ার পর আলেয়া খাতুন হতবাক হয়ে পড়েন। তিনি বিষয়টি বিদ্যুৎ কার্যালয়ে জানালে দ্রুত বিল সংশোধন করা হয়। সংশোধিত বিলে ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ও বিলম্ব মাশুল সংশোধন করে প্রকৃত বিল রাখা হয় ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। আলেয়া খাতুন ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা বিলের পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১ হাজার ৯৬৩ টাকা পরিশোধ করেছেন।

"গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসানোয় অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি গ্রাহক তাঁদের জানালে দ্রুত বিলটি সংশোধন করা হয়েছে।"

পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, মিটার পরিবর্তনের সময় মিটার নম্বর ভুলে ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসানোর কারণে অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর দ্রুত বিল সংশোধন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রাহকও মূল বিলের ১ হাজার ৯৬৩ টাকা পরিশোধ করেছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মঘি ইউনিয়ন, মাগুরা, কেচুয়াডুবি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোছা. আলেয়া খাতুন, মো. রেজাউল করিম, শহীদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০৬ কোটি টাকা (অস্বাভাবিক বিল), ২৩৫ ইউনিট (বিদ্যুৎ ব্যবহার), ১৯৬৩ টাকা (সংশোধিত বিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖