📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝালকাঠিতে পেঁপের বাম্পার ফলনেও চাষিদের লোকসান: দাম না পাওয়ায় ফল নষ্ট হচ্ছে ও গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে

ঝালকাঠিতে পেঁপের বাম্পার ফলনেও চাষিদের লোকসান: দাম না পাওয়ায় ফল নষ্ট হচ্ছে ও গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝালকাঠি জেলায় পেঁপের বাম্পার ফলনেও চাষিদের লোকসান হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁপে ২০-২৫ টাকা বিক্রি হলেও পাইকাররা ১০-১২ টাকা দিতে চায়। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে অনেক চাষি গাছ কেটে ফেলছেন এবং ফল নষ্ট হচ্ছে

ঝালকাঠি জেলায় পেঁপের বাম্পার ফলনেও চাষিদের বিপদে পড়েছে। প্রতি কেজি পেঁপে বাজারে ২০ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও পাইকাররা ক্ষেত থেকে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা দিতে চায়। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে চাষিরা লোকসানের ক্ষোভে পেঁপে গাছ কেটে ফেলছেন এবং ফল নষ্ট হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝালকাঠিতে ১১৮ হেক্টর জমিতে পেঁপে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, কিন্তু বাজারে দাম না পাওয়ায় চাষিরা বিপদে পড়েছেন
  • 📌 প্রতি কেজি পেঁপে ২০-২৫ টাকা বিক্রি হলেও পাইকাররা ১০-১২ টাকা দিতে চায়, ফলে উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে চাষিরা লোকসান হচ্ছেন
  • 📌 চাষি তাজুল ইসলাম দুই বিঘা জমির পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছেন এবং বাকি জমিতে সাথি ফসল চাষ করছেন
  • 📌 চাষি দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, শ্রমিকের মজুরি ও ভ্যানভাড়াও উঠবে না ১০-১২ টাকা দামে বিক্রি করলে
  • 📌 জেলায় এই মৌসুমে পেঁপে উৎপাদন হয়েছে ১ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন
  • 📌 সার ও শ্রমিকের মজুরি বাড়ার কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে, কিন্তু পেঁপের দাম কমে গেছে

📰 বিস্তারিত

ঝালকাঠি জেলায় পেঁপের বাম্পার ফলনেও চাষিদের বিপদে পড়েছে। প্রতি কেজি পেঁপে বাজারে ২০ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও পাইকাররা ক্ষেত থেকে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা দিতে চায়। এতে উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন তারা। কেউ পরিচর্যা কমিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ লোকসানের ক্ষোভে পেঁপে গাছ কেটে ফেলছেন। গাছে ও মাটিতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে পাকা পেঁপে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ঝালকাঠিতে প্রায় ১১৮ হেক্টর জমিতে পেঁপে চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। শাহীসহ বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল জাতের পেঁপে আবাদ করেছেন কৃষকেরা। অনুকূল আবহাওয়ায় ফলন ভালো হওয়ায় এবং একই সময়ে বাজারে বিপুল পরিমাণ পেঁপে আসায় সরবরাহ বেড়েছে। জেলায় এ মৌসুমে পেঁপে উৎপাদন হয়েছে ১ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন।

সদর উপজেলার নবগ্রাম গ্রামের চাষি দেলোয়ার হোসেন দুই বিঘা জমিতে পেঁপে চাষে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ করেছেন। তিনি বলেন, পাইকাররা ক্ষেত থেকে পেঁপে কিনতে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা দাম বলছেন। এ দামে বিক্রি করলে শ্রমিকের মজুরি ও ভ্যানভাড়াও উঠবে না। তাই চোখের সামনে ফল নষ্ট হতে দেখলেও কিছু করার থাকছে না।

উত্তর বাউকাঠি গ্রামের চাষি সাদ্দাম হোসেন ছয় বিঘা জমিতে পেঁপে আবাদ করেছেন। তিনি বলেন, বাজারে দাম এতটাই কম যে এখন আর ক্ষেতেও যেতে ইচ্ছা করে না। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে পেঁপে গাছ কেটে ফেলতে বাধ্য হবেন। আরেক চাষি তাজুল ইসলাম বলেন, কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা দরে পেঁপে বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে ক্ষোভে দুই বিঘা জমির পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছেন তিনি। বাকি দেড় বিঘা জমির লোকসান পুষিয়ে নিতে সেখানে সাথি ফসল চাষ করছেন।

"পাইকাররা ক্ষেত থেকে পেঁপে কিনতে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা দাম বলছেন। এ দামে বিক্রি করলে শ্রমিকের মজুরি ও ভ্যানভাড়াও উঠবে না।" — চাষি দেলোয়ার হোসেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝালকাঠি জেলা, সদর উপজেলা নবগ্রাম গ্রাম ও উত্তর বাউকাঠি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চাষি দেলোয়ার হোসেন, চাষি সাদ্দাম হোসেন, চাষি তাজুল ইসলাম, ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আলম মামুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৮ হেক্টর (চাষের লক্ষ্যমাত্রা), ১ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন (উৎপাদন), ২০-২৫ টাকা (বাজার দাম), ১০-১২ টাকা (পাইকারদের দাম), ৪০-৫০ হাজার টাকা (দেলোয়ার হোসেনের খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖