📌 মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য দু’দিনের আলোচনা করে। বাংলাদেশের পোশাক, ওষুধ, ইলেকট্রনিকস ও খাদ্য পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। ৭০টি ব্যবসা ম্যাচমেকিং সেশনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হয়
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মালয়েশিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক সংস্থাসমূহের সাথে দু’দিনের আলোচনা করে। বাংলাদেশের পোশাক, ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, তথ্যপ্রযুক্তি, পাটজাত পণ্য ও খাদ্য পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে ঢাকা চেম্বার মালয়েশিয়ার বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়া (এনসিসিআইএম) এবং ফেডারেশন অব মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারিং (এফএমএম)র সাথে আলোচনা করে।
- 📌 ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বাংলাদেশের পোশাক, ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, তথ্যপ্রযুক্তি, পাট ও খাদ্য পণ্য রপ্তানির জন্য মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চায়।
- 📌 মালয়েশিয়ার সভাপতি নরসিয়াহরিন বিন হামদিন বাংলাদেশের বড় অভ্যন্তরীণ বাজারে মালয়েশিয়ার পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা তুলে ধরে।
- 📌 ৭০টি ব্যবসা ম্যাচমেকিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উভয় দেশের উদ্যোক্তারা সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ পায়।
- 📌 ঢাকা চেম্বার ও এফএমএমের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়, যা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতাকে আরও জোরদার করবে।
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ‘মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম: ব্যবসায়িক সহযোগিতা সমপ্রসারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা, পাট ও খাদ্যপণ্য সহ বিভিন্ন খাতের পণ্য ও সেবা আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে মালয়েশিয়ার পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি নরসিয়াহরিন বিন হামদিন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মালয়েশিয়ার পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত ভোক্তা শ্রেণির বাজারে মালয়েশিয়ার পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ‘স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম: বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বিজনেস অ্যান্ড ট্রেড অপরচুনিটিজ’ সভায় এফএমএমের সভাপতি জ্যাকব লি চোর কক বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে বিকশিত হয়েছে। তিনি বেসরকারি খাতের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মানজুরুল করিম খান চৌধুরী এবং মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ পরিচালক ড. রাশেদি সাইদ সহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বক্তব্য দেন।
"বাংলাদেশের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে মালয়েশিয়ার পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এসব সুযোগ কাজে লাগাতে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।"— তাসকীন আহমেদ, ঢাকা চেম্বারের সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া), ঢাকা (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাসকীন আহমেদ (ঢাকা চেম্বার সভাপতি), নরসিয়াহরিন বিন হামদিন (মালয়েশিয়ান চেম্বার সভাপতি), জ্যাকব লি চোর কক (এফএমএম সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর (আলোচনা দিন), ৭০টি (ব্যবসা ম্যাচমেকিং সেশন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!