📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিলে ৫০৬ কোটি টাকার দাবি: গ্রাহক হতবাক

মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিলে ৫০৬ কোটি টাকার দাবি: গ্রাহক হতবাক

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া জোনাল অফিস মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য গ্রাহককে ৫০৬ কোটি টাকার বিল দিয়েছে। বিলে অস্বাভাবিক ডিমান্ড চার্জের কারণে গ্রাহক হতবাক হয়ে পড়েন। সংশোধনের পর প্রকৃত বিল পরিশোধ করেছেন গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন

মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া জোনাল অফিসের একটি অস্বাভাবিক বিলে গ্রাহককে মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিনিময়ে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বিল দিয়েছে। এই বিলের কারণে গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন ও তার পরিবার হতবাক হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া জোনাল অফিস মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বিল দিয়েছে
  • 📌 বিলে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ডিমান্ড চার্জ, ২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা ভ্যাট ও ১০ টাকা মিটার ভাড়া অন্তর্ভুক্ত ছিল
  • 📌 প্রকৃত বিলের পরিমাণ ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা, বিলম্ব মাশুলসহ ২ হাজার ৫৬ টাকা
  • 📌 মিটার পরিবর্তনের কারণে সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ভুলভাবে ডিমান্ড চার্জে পোস্টিং হয়ে গিয়েছিল
  • 📌 বিল সংশোধন করা হয় এবং গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন প্রকৃত বিল পরিশোধ করেছেন

📰 বিস্তারিত

মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করা হয়েছিল। বিল অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ ইউনিট এবং পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ৮ আগস্টের ১৬০ ইউনিট। গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেছেন, “এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া জরুরি।”

বিলে দেখা যায়, মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ডিমান্ড চার্জ হিসেবে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা এবং ভ্যাট হিসেবে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ধরা হয়েছিল। মিটার ভাড়া হিসেবে ১০ টাকা এবং মোট বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ বিলের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার কারণে ভুল বশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে। বিলটি দ্রুত সংশোধন করা হয়েছে এবং গ্রাহক প্রকৃত বিল পরিশোধ করেছেন।”

"এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া জরুরি।"
"গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার কারণে ভুল বশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া জোনাল অফিস, মঘি ইউনিয়ন, মাগুরা সদর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোছা. আলেয়া খাতুন (গ্রাহক), ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রেজাউল করিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা (বিল), ২৩৫ ইউনিট (ব্যবহারিত বিদ্যুৎ), ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা (ডিমান্ড চার্জ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖