📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে ২৯ হাজার টাকার বিল: মাগুরা গ্রাহকদের আঘাত

মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে ২৯ হাজার টাকার বিল: মাগুরা গ্রাহকদের আঘাত

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরা জেলায় এক গ্রাহকের মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল আসার ঘটনা তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। গ্রাহক বাবু মোল্যা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের অস্বাভাবিক বিলের ঘটনা আগেও ঘটেছে। কর্তৃপক্ষকে সতর্কতার সাথে জরিপের অনুরোধ করা হয়েছে

মাগুরা জেলার এক গ্রাহকের মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার অস্বাভাবিক বিল আসার ঘটনা আবারও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। গ্রাহক বাবু মোল্যা (৫৫) গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল আসতো ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। কিন্তু এবার মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে বিলের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা। এই ঘটনায় তিনি বিস্মিত ও চিন্তিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাগুরা সদর উপজেলার বাবু মোল্যা (৫৫) এর মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল আসা
  • 📌 মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা গ্রাহককে বিল পেপারের বিষয়ে হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ
  • 📌 এজিএম ফজলুল আনোয়ার জানান, বিষয়টি তদন্তের অধীনে
  • 📌 আগে শালিখা উপজেলার আলেয়া খাতুনের নামে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বিল আসার ঘটনা ঘটেছিল
  • 📌 সচেতন মহল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিল তৈরি করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন

📰 বিস্তারিত

মাগুরা জেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামের বাবু মোল্যা (৫৫) এর বাড়িতে মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল আসার ঘটনা আবারও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। গ্রাহক বাবু মোল্যা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে ছিল। কিন্তু এবার বিলের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, “এই বিল দেখে আমি বিস্মিত হয়ে গেছি। আমি কখনো এমন বিল দেখিনি।”

এ বিষয়ে মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম ফজলুল আনোয়ার জানান, বিষয়টি তদন্তের অধীনে রয়েছে। তিনি বলেন, “গ্রাহককে অফিসে ঢোকার আগে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি এবং গ্রাহকের অভিযোগের সাথে সত্যতা যাচাই করছি।”

এই ঘটনায় গ্রাহক বাবু মোল্যা অভিযোগ করেছেন, মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা তাকে বিল পেপারের বিষয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছেন। তিনি বলেন, “আমি বিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তাদের কর্মকর্তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছেন। আমি তাদের কাছে যাবার আগেই তারা আমাকে চাপ দিয়েছে।”

এই ঘটনাটি মাগুরা জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। আগে শালিখা উপজেলার আলেয়া খাতুনের নামে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বিল আসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায়ও গোটা দেশে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। এখন আবার এই ঘটনা ঘটলে সচেতন মহল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিল তৈরি করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন।

"দীর্ঘদিন ধরে আমার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল আসতো ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। কিন্তু এবার মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে বিলের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা। এই বিল দেখে আমি বিস্মিত হয়ে গেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাগুরা সদর উপজেলা, গোপালগ্রাম ইউনিয়ন, সংকোচখালি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাবু মোল্যা (৫৫), এজিএম ফজলুল আনোয়ার, আলেয়া খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ ইউনিট, ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা, ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, ২৩৫ ইউনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖