📌 মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে ৫০৬ কোটি টাকার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করা হয়েছিল। মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি টাকার বিলে টাইপিং ভুলের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। ঘটনায় জড়িত ৪ কর্মকর্তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে
মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করা হয়েছিল। এই অস্বাভাবিক ঘটনা সংশোধিত হওয়ার পর গ্রাহক পরিবার স্বস্তি পেয়েছে। মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা এই ভুলের জন্য দায়িত্বহীনতা স্বীকার করেছেন এবং ঘটনায় জড়িত ৪ কর্মকর্তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করা হয়েছিল।
- 📌 মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ছিল ১ হাজার ৯৬৩ টাকা, কিন্তু ভুলবশত ৫০৬ কোটি টাকার বিল ইস্যু করা হয়।
- 📌 বিলে উল্লেখ করা হয়েছিল, বিলম্ব মাশুলসহ পরিশোধ করতে হবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- 📌 আলেয়া খাতুন বিলটিকে ‘আজগুবি’ আখ্যা দিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বহীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
- 📌 গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশের পর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিল সংশোধন করে ১ হাজার ৯৬৩ টাকার বিল গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দিয়েছে।
- 📌 ঘটনায় জড়িত আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম, বিলিং সুপারভাইজার, বিলিং সহকারী এবং মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জারকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করা হয়েছিল। বিলের বিস্তারিত তথ্য থেকে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে মাত্র ২৩৫ ইউনিট। তবে বিল প্রস্তুতের সময় ডিমান্ড চার্জের ঘরে ভুলবশত ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বসিয়ে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট যুক্ত হয়ে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।
আলেয়া খাতুন বিলটিকে ‘আজগুবি’ আখ্যা দিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের চরম খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বহীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটা শুধু ভুতুড়ে বা ভৌতিক বিল নয়, একেবারে আজগুবি। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন চরম খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বহীনতায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।’
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিলটি সংশোধন করে। পরে সংশোধিত বিল গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে আলেয়া খাতুন সংশোধিত বিল পরিশোধ করেছেন।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম জানান, এটি একটি দায়িত্বহীন টাইপিং ভুল। আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম জানান, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তনের সময় সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ভুলবশত ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসে যাওয়ায় এ অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রান্তি ঘটে।
"এটা শুধু ভুতুড়ে বা ভৌতিক বিল নয়, একেবারে আজগুবি। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন চরম খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বহীনতায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা সদর উপজেলা, কেচুয়াডুবি গ্রাম, মঘি ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোছা. আলেয়া খাতুন, মো. রেজাউল করিম (ডিজিএম), মো. মহিতুল ইসলাম (জিএম)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা (ভুতুড়ে বিল), ২৩৫ ইউনিট (বাস্তব বিদ্যুৎ ব্যবহার), ১ হাজার ৯৬৩ টাকা (সংশোধিত বিল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!