📌 তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের সমবায় সমিতি ৭ দফা দাবি জানিয়ে ঘোষণা দিয়েছে, দাবি না পূরণ হলে ১৬-১৭ অক্টোবর সারা দেশে এলপিজি দোকান বন্ধ রাখা হবে। দাবিতে রয়েছে মূল্য সমন্বয়, খরচ বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থা ও জরিমানা বন্ধের বিষয়
তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের সমবায় সমিতি ৭ দফা গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়ে সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা জারি করেছে। দাবি না পূরণ হলে সংগঠনটি ঘোষণা করেছে, আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৬-১৭ অক্টোবর) সারা দেশে সব এলপিজি দোকান বন্ধ রাখা হবে। সোমবার (১২ অক্টোবর) একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৭ দফা দাবি** এলপিজি ব্যবসায়ীদের সমবায় সমিতি জানিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মূল্যবৃদ্ধি, খরচ বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থা ও জরিমানা বন্ধের বিষয়।
- 📌 **দাবি না পূরণে ২ দিনের বন্ধ** ঘোষণা: ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সারা দেশে এলপিজি দোকান বন্ধ থাকবে।
- 📌 **৫০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা বা ৭% বৃদ্ধি** চাওয়া হয়েছে পরিবেশকদের জন্য বরাদ্দকৃত মূল্য।
- 📌 **কোম্পানী কর্তৃক মূল্য সমন্বয়** অবশ্যই বিইআরসি কর্তৃক ঘোষণার মাধ্যমে করতে হবে।
- 📌 **অক্ষম কোম্পানীর সিলিন্ডার রিফিল** সরকারীভাবে বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর মাধ্যমে করতে হবে।
- 📌 **চালানে অরিজিনাল মূল্য** উল্লেখ থাকতে হবে।
- 📌 **গাড়ী ভাড়া নিশ্চিত** করতে হবে যেসব কোম্পানি পরিবেশকের গোডাউনে গ্যাস পৌঁছে দিচ্ছে না।
- 📌 **ট্রাফিক পুলিশের রেলিং ইস্যুতে মামলা বন্ধ** করতে হবে।
- 📌 **অনৈতিক জরিমানা বন্ধ** করতে হবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক।
📰 বিস্তারিত
তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের সমবায় সমিতি ১২ অক্টোবর সোমবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৭ দফা দাবি জানিয়েছে। এই দাবিগুলোতে জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধি, লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি, লোড আন-লোড, অলস সিলিন্ডারের লোকসানসহ যাবতীয় খরচ বৃদ্ধির কারণে বিইআরসি কর্তৃক পরিবেশকদের জন্য বরাদ্দকৃত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশকদের জন্য বরাদ্দকৃত মূল্য ৫০ টাকা, যা সংগঠনটি ১৫০ টাকা বা ৭% বৃদ্ধি চায়।
এছাড়া, কোম্পানী কর্তৃক মাসে একাধিকবার মূল্য সমন্বয় করা হলে তা অবশ্যই বিইআরসি কর্তৃক ঘোষণার মাধ্যমে করতে হবে। দীর্ঘদিন যাবত গ্যাস সরবরাহে অক্ষম কোম্পানীর সিলিন্ডার সরকারীভাবে বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর মাধ্যমে রিফিল করার ব্যবস্থা করতে হবে। কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত চালানে অবশ্যই অরিজিনাল মূল্য উল্লেখ থাকতে হবে। যেসব কোম্পানি পরিবেশকের গোডাউনে গ্যাস পৌঁছে দিচ্ছে না, তাদের ক্ষেত্রে ন্যায্য গাড়ী ভাড়া প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
এলপিজি সিলিন্ডার বহনকৃত পিকআপ বা ট্রাকে সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র রেলিং ইস্যুতে ট্রাফিক পুলিশ মামলা করতে পারবে না। এছাড়া, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক অনৈতিক ও অযৌক্তিক জরিমানা আরোপ বন্ধ করতে হবে।
"দাবি না মানা হলে আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৬-১৭ অক্টোবর) টানা ২ দিন সারা দেশে সব এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সারা বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলপিজি ব্যবসায়ীদের সমবায় সমিতি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দফা দাবি, ১৬-১৭ অক্টোবর (২ দিন বন্ধ), ৫০ টাকা → ১৫০ টাকা বা ৭% বৃদ্ধি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!