📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলপিজি সংকট ও দামবৃদ্ধির কারণে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা দুঃখে, বিইআরসি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছে

এলপিজি সংকট ও দামবৃদ্ধির কারণে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা দুঃখে, বিইআরসি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দাম সমন্বয় করেও এলপিজি সরবরাহ সংকট কাটেনি। বাজারে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫০০-৬০০ টাকা বাড়তি। পরিবেশকদের দাবি, খরচ বাড়ার কারণে নির্ধারিত দামে সরবরাহ সম্ভব নয়। বিইআরসি বলছে, গণশুনানি ছাড়া খরচ সমন্বয় সম্ভব নয়

দাম সমন্বয় করেও বাংলাদেশে এলপিজি সরবরাহ সংকটের সমাধান হয়নি। পরিবেশকদের দাবি, বর্তমানে মাত্র ছয়টি কোম্পানি নিয়মিত সরবরাহ করছে, কিন্তু চাহিদামতো সরবরাহ সম্ভব নয়। দেশের সর্বাধিক ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের বাজার দাম এখনো ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বাড়তি। ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন দাম ঘোষণা করলেও বাজারে দাম বেড়ে গেছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের বাজার দাম ৫০০-৬০০ টাকা বাড়তি, সরকারি নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা
  • 📌 পরিবেশকদের দাবি, প্রতি সিলিন্ডারে ১০০ টাকা ঘাটতি থাকায় নির্ধারিত দামে সরবরাহ সম্ভব নয়
  • 📌 এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ৬ অক্টোবর বিইআরসিকে চিঠি দিয়েছে, দাম সমন্বয় ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে
  • 📌 বিইআরসি বলছে, গণশুনানি ছাড়া খরচ সমন্বয় সম্ভব নয়, আগামী রোববার আলোচনা হবে
  • 📌 ২০২১ সাল থেকে বিইআরসি এলপিজি দাম নির্ধারণ করে আসছে, পরিবেশকদের কমিশন বাড়ানোর দাবি রয়েছে
  • 📌 মিরপুরের বাসিন্দা তামান্না আখতার বলেন, একটি সিলিন্ডার ২ হাজার ৫০০ টাকা দামে পেয়েছেন, যা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬৬৩ টাকা বেশি

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু বাজারে এখন সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ৬ অক্টোবর বিইআরসিকে একটি চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআইআরসি দাম নির্ধারণের দিন সন্ধ্যা থেকে কোম্পানিগুলো নতুন মূল্যতালিকা দিয়েছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭৪০ থেকে ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে তারা। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, লাইসেন্স ফি ও আনুষঙ্গিক খরচ বাড়ার কারণে নির্ধারিত দামে সরবরাহ করা সম্ভব নয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশকের গোডাউন পর্যন্ত আনতে প্রতি সিলিন্ডারে ভাড়া ৫০ টাকা, সিলিন্ডার ট্রাকে ওঠানো-নামানো ও খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাতে খরচ ৩৫ টাকা। কর্মচারী, গোডাউন ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, লাইসেন্স ফি ও অন্যান্য খরচ মেটাতে আরো ২৫ টাকা লাগছে। প্রতি সিলিন্ডারে ৪০ টাকা মুনাফা চায় তারা। এতে সব মিলে পরিবেশক পর্যায়ে প্রতি সিলিন্ডারে ১৫০ টাকা দরকার। কিন্তু পাঁচ বছর ধরে তারা পাচ্ছে মাত্র ৫০ টাকা। ফলে প্রতি সিলিন্ডারে ১০০ টাকা ঘাটতি থাকছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বিভিন্ন কোম্পানির দামে পার্থক্য থাকায় বাজারে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান স্বাক্ষরিত চিঠির অনুলিপি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেছেন, এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির চিঠি তাঁরা পেয়েছেন। কিন্তু গণশুনানি ছাড়া খরচ সমন্বয়ের সুযোগ নেই। তাঁদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে আগামী রোববার কমিশন সভায় আলোচনা করা হবে। তবে নতুন সিদ্ধান্তের আগপর্যন্ত নির্ধারিত দামে বিক্রি করার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে বিইআরসি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে। ওই সময় সিলিন্ডারপ্রতি পরিবেশকদের কমিশন ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্তমানে পরিবেশকরা কমিশন বাড়ানোর দাবি করছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, বাজারে নির্ধারিত দামে সরবরাহ হয় না। মাঝেমধ্যে সরবরাহ সংকটের নামে দাম অনেক বেড়ে যায়।

মিরপুরের শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা তামান্না আখতার বলেন, গত বুধবার একটি ১২ কেজি সিলিন্ডার বাসায় পৌঁছে দিয়ে গেছে, দাম নিয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা, যা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬৬৩ টাকা বেশি। তিনি আরও বলেন, একটি স্টেশনে মাসে যেখানে চাহিদা ৩০ টন, পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ৬ টন। বিক্রি করতে না পারায় স্টেশনগুলো লোকসানের মুখে পড়ছে।

"গণশুনানি ছাড়া খরচ সমন্বয়ের সুযোগ নেই। আগামী রোববার কমিশন সভায় আলোচনা করা হবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিশেষত মিরপুর, ঢাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সেলিম খান (এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি), জালাল আহমেদ (বিইআরসি চেয়ারম্যান), তামান্না আখতার (ভুক্তভোগী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কেজি (সিলিন্ডার), ৫০০-৬০০ টাকা (বাড়তি দাম), ২ হাজার ৩০০-২ হাজার ৫০০ টাকা (বাজার দাম), ১ হাজার ৮৩৭ টাকা (সরকারি নির্ধারিত দাম), ১০০ টাকা (ঘাটতি), ৩০ টন (মাসিক চাহিদা), ৫-৬ টন (মাসিক সরবরাহ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖