📌 এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড ঘোষণা করেছে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারাদেশে এলপিজি দোকান বন্ধ রাখার। তারা দাবি করেছে কমিশন বাড়ানো বন্ধ, অব্যবহৃত সিলিন্ডার চালু করা এবং প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করা
সারাদেশে এলপিজি ব্যবসায়ীদের একটি বড় আকারের প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। তারা ঘোষণা দিয়েছে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারাদেশে সকল এলপিজি দোকান বন্ধ রাখার। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির পিছনে রয়েছে কমিশন বাড়ানো, গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধের দাবি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারাদেশে এলপিজি দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড
- 📌 বর্তমানে মাত্র ছয় থেকে সাতটি কোম্পানি সক্রিয়, ফলে লাখ লাখ অব্যবহৃত সিলিন্ডার রয়েছে
- 📌 সরকারকে দাবি করা হয়েছে অব্যবহৃত সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার ব্যবস্থা নেওয়া এবং ডিলারদের মাধ্যমে সরবরাহ করা
- 📌 বিইআরসিকে দাবি করা হয়েছে এলপিজির দাম পরিবর্তন করার ক্ষমতা কোম্পানিগুলোর থেকে নেওয়া এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে দাম সমন্বয় করা
- 📌 ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অনেক কোম্পানি কার্যক্রম বন্ধ করেছে এবং এলসি খোলার সমস্যা রয়েছে
- 📌 জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক জরিমানা ও হয়রানি করা হচ্ছে
- 📌 সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান সেলিম খানকে বলেছেন, কমিশন ব্যবসায়ীদের দাবি পর্যালোচনা করছে
📰 বিস্তারিত
সোমবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. সেলিম খান ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ১৫ তারিখ বৃহস্পতিবার এবং ১৬ তারিখ শুক্রবার এই দুই দিন সারা বাংলাদেশে সকল গ্যাসের দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মাত্র ছয় থেকে সাতটি কোম্পানি সক্রিয় রয়েছে। ফলে সারাদেশে কয়েক লাখ গ্যাস সিলিন্ডার অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার বা এলপিজি কোম্পানিগুলোকে অব্যবহৃত সিলিন্ডারে গ্যাস ভরে ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে গ্যাস কিনতে পারবেন। তারা আরও দাবি করেছেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে এলপিজির দাম ঘোষণার পর কোম্পানিগুলো নিজেরা দাম পরিবর্তন করতে না পারে। পরবর্তী সময়ে দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে করতে হবে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অনেক কোম্পানি কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। আবার কিছু কোম্পানি এলপিজি আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছে না। এছাড়া, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক জরিমানা ও হয়রানির অভিযোগও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।
"সংবাদ সম্মেলন চলাকালে বিইআরসির চেয়ারম্যান আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বলেন, কমিশন ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করছে এবং শিগগির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জাতীয় প্রেসক্লাব), সারাদেশে এলপিজি দোকান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সেলিম খান (সভাপতি, এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড), বিইআরসির চেয়ারম্যান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ও ১৬ অক্টোবর (দোকান বন্ধের তারিখ), ছয় থেকে সাতটি (সক্রিয় এলপিজি কোম্পানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!