📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা ঘোষণা: ১৫-১৬ অক্টোবর বন্ধ বিক্রি, দাবি কমিশন বাড়ানো ও সরবরাহ নিশ্চিত

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা ঘোষণা: ১৫-১৬ অক্টোবর বন্ধ বিক্রি, দাবি কমিশন বাড়ানো ও সরবরাহ নিশ্চিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড ঘোষণা করেছে, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে এলপি গ্যাসের খুচরা বিক্রি বন্ধ রাখা হবে। দাবি করা হয়েছে কমিশন বাড়ানো, সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করা

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের সারা দেশে দু’দিনের জন্য খুচরা বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। ১৫ ও ১৬ অক্টোবর এই দুই দিনে সকল এলপি গ্যাসের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা কমিশন বাড়ানো, সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধের দাবি তুলে ধরেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা বাংলাদেশে এলপি গ্যাসের খুচরা বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।
  • 📌 সিলিন্ডারপ্রতি কমিশন বাড়িয়ে ১৫০ টাকা বা বিক্রয়মূল্যের ৭ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে কমিশন ৫০ টাকা।
  • 📌 সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, বর্তমানে ছয়-সাতটি কোম্পানি ছাড়া অন্যান্য কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না।
  • 📌 প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ও জরিমানার নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
  • 📌 ১৫০ টাকা কমিশন দাবির যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে, সিলিন্ডার পরিবহন, ওঠানো-নামানো, গুদাম ভাড়া, কর্মচারীর বেতন ও অন্যান্য খরচের কারণে কমিশন বাড়ানো দরকার।
  • 📌 ৮ জানুয়ারিও এলপি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল প্রশাসনিক হয়রানির প্রতিবাদে। পরে বিইআরসির সঙ্গে বৈঠক ও দাবি পূরণের আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
  • 📌 ৪ অক্টোবর বিইআরসি ১২ কেজির এলপি গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ১৮৩৭ টাকা করে ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু বাজারে এখনো সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

📰 বিস্তারিত

সোমবার দুপুরে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. সেলিম খান এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, যদি এই দুই দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হয়, তবে সারা দেশে এলপিজির দোকান বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এলপিজি ব্যবসায়ীদের সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে প্রধান দাবি হলো পরিবেশকদের কমিশন বাড়ানো। তিনি জানান, পাঁচ বছর আগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পরিবেশকদের জন্য সিলিন্ডারপ্রতি ৫০ টাকা কমিশন নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম, পরিবহন খরচ, সিলিন্ডার ওঠানো-নামানোর খরচ, গুদাম ভাড়া ও লাইসেন্স ফি বেড়েছে। এসব কারণে কমিশন বাড়িয়ে ১৫০ টাকা অথবা বিক্রয়মূল্যের ৭ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সেলিম খান বলেন, কোম্পানি থেকে পরিবেশকের গুদাম পর্যন্ত একটি সিলিন্ডার আনতে ৫০ টাকা খরচ হয়। সিলিন্ডার ওঠানো-নামানো ও খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাতে আরও ৩৫ টাকা লাগে। কর্মচারীর বেতন, গুদাম ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য খরচ ২৫ টাকা। এর সঙ্গে ৪০ টাকা মুনাফা ধরে সিলিন্ডারপ্রতি ১৫০ টাকা কমিশন দাবি করা হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিইআরসি প্রতি মাসে এলপিজির দাম ঘোষণা করলেও কিছু কোম্পানি পাঁচ থেকে সাত দিন পর আবার দাম পরিবর্তন করে। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। কোম্পানিগুলো মাসে একাধিকবার দাম পরিবর্তন করতে চাইলে বিইআরসির মাধ্যমে তা ঘোষণার দাবি জানান তিনি।

সরবরাহ সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে ছয় থেকে সাতটি কোম্পানি ছাড়া বেশির ভাগ কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। অনেক কোম্পানি ঋণপত্র খুলতে না পারায় সারা দেশে কয়েক লাখ সিলিন্ডার অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এসব সিলিন্ডার সরকারি উদ্যোগে অথবা অন্য কোম্পানির মাধ্যমে পুনরায় গ্যাস ভরে বাজারে সরবরাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, গত ৮ জানুয়ারিও প্রশাসনিক অভিযান ও জরিমানার প্রতিবাদে দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা। পরে বিইআরসির সঙ্গে বৈঠক এবং দাবি পূরণের আশ্বাসে ওই দিন বিকেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।

৪ অক্টোবর বিইআরসি ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১৮৩৭ টাকা করে ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

"পাঁচ বছর আগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পরিবেশকদের জন্য সিলিন্ডারপ্রতি ৫০ টাকা কমিশন নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম, পরিবহন খরচ, সিলিন্ডার ওঠানো-নামানোর খরচ, গুদাম ভাড়া ও লাইসেন্স ফি বেড়েছে। এসব কারণে কমিশন বাড়িয়ে ১৫০ টাকা অথবা বিক্রয়মূল্যের ৭ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (জাতীয় প্রেসক্লাব), বাংলাদেশ (সারা দেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সেলিম খান (সভাপতি, এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ও ১৬ অক্টোবর, ৫০ টাকা, ১৫০ টাকা, ৭ শতাংশ, ৫০ টাকা, ৩৫ টাকা, ২৫ টাকা, ৪০ টাকা, ৮ জানুয়ারি, ৪ অক্টোবর, ১৮৩৭ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖