📌 ব্র্যান্ড লোটো বাংলাদেশে ১৫ বছর পূরণ করলো। গাজীপুরের কাপাসিয়ায় উদ্বোধিত নতুন কারখানায় টিপিআর, ইভিএ, পিইউ ও পিভিসি ভিত্তিক ফুটওয়্যার উৎপাদন শুরু হবে। এছাড়াও উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করে স্থানীয় তরুণদের ব্যবসায়িক সুযোগ দিতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি
ব্র্যান্ড ‘লোটো’ বাংলাদেশে ১৫ বছরের অগ্রযাত্রা পূরণ করেছে। গাজীপুরের কাপাসিয়ায় উদ্বোধিত নতুন কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল নিয়ে টিপিআর, ইভিএ, পিইউ ও পিভিসি ভিত্তিক স্পোর্টস ও লেদার ফুটওয়্যার উৎপাদন শুরু হয়েছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি দেশব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করেছে, যা স্থানীয় তরুণদের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ অক্টোবর ঢাকার গুলশান ক্লাবে লোটোর ১৫ বছরের অগ্রযাত্রা উদযাপিত হয়, যেখানে ব্র্যান্ডের কর্মকর্তারা, ব্যবসায়িক অংশীদার ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন
- 📌 বর্তমানে বাংলাদেশে লোটোর মোট ২৪৭টি আউটলেট — ১৩৭টি ফ্ল্যাগশিপ ও ১১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি
- 📌 গাজীপুরের কাপাসিয়ায় উদ্বোধিত নতুন কারখানায় টিপিআর, ইভিএ, পিইউ ও পিভিসি ভিত্তিক ফুটওয়্যার উৎপাদন শুরু হয়েছে
- 📌 ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’ চালু করে লোটো — সফল উদ্যোক্তারা ১০ বছরে ২০টি দোকান চালাতে পারবেন
- 📌 লোটো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জামিল ইসলাম বলেছেন, ‘ক্রেতাদের অকৃত্রিম বিশ্বাস ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা বাংলাদেশের নাম বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করবে’
📰 বিস্তারিত
ব্র্যান্ড ‘লোটো’ বাংলাদেশে ১৫ বছরের অগ্রযাত্রা উদযাপনের জন্য ৭ অক্টোবর ঢাকার গুলশান ক্লাবে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং লোটো বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ব্র্যান্ডটির দীর্ঘ ১৫ বছরের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। লোটো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জামিল ইসলাম বলেন, ‘একজন গ্রাহক দিয়ে শুরু করা এই পথচলার মূল শক্তি ছিল ক্রেতাদের অকৃত্রিম বিশ্বাস। আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি এ দেশের তরুণ সমাজ। সঠিক সুযোগ ও দিকনির্দেশনা পেলে এই তরুণ উদ্যোক্তারা নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি বাংলাদেশের নাম বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।’
ব্র্যান্ডটি বর্তমানে সারা দেশে ১৩৭টি ফ্ল্যাগশিপ এবং ১১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ মোট ২৪৭টি আউটলেট পরিচালনা করছে। এছাড়াও গাজীপুরের কাপাসিয়ায় উদ্বোধিত নতুন কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবলে গঠিত এই কারখানায় টিপিআর, ইভিএ, পিইউ ও পিভিসি ভিত্তিক স্পোর্টস ও লেদার ফুটওয়্যার উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিশ্বমানের এই কারখানাটি দেশের বাজার ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী প্রতিষ্ঠানটি।
লোটো বাংলাদেশ ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’ চালু করেছে, যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণদের চিহ্নিত করে টেকসই ব্যবসার রূপরেখা দেওয়া হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সফল উদ্যোক্তারা ১০ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২০টি পর্যন্ত দোকানের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবেন। এতে ব্র্যান্ডটির খুচরা বিক্রয় নেটওয়ার্ক বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
"একজন গ্রাহক দিয়ে শুরু করা এই দীর্ঘ পথচলার মূল শক্তিই ছিল ক্রেতাদের অকৃত্রিম বিশ্বাস। আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি এ দেশের তরুণ সমাজ। সঠিক সুযোগ ও দিকনির্দেশনা পেলে এই তরুণ উদ্যোক্তারাই নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি বাংলাদেশের নাম বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের কাপাসিয়া (কারখানা), ঢাকার গুলশান ক্লাব (অনুষ্ঠান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী জামিল ইসলাম (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, লোটো বাংলাদেশ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (ব্র্যান্ডের অগ্রযাত্রা), ২৪৭টি আউটলেট (মোট), ২০টি দোকান (সফল উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!