📌 গাজীপুরের এক শিক্ষার্থী আট মাস ধরে স্কুটি লোন আবেদনে ঘোরানো হচ্ছে। আইনজীবী পরামর্শ দিয়েছেন লিখিতভাবে কারণ জানতে চাওয়া এবং ব্যাংকের অভিযোগ সেলে উত্থাপন করা
গাজীপুরের একজন শিক্ষার্থী আট মাস ধরে স্কুটি লোন আবেদনে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অস্বীকারের মুখোমুখি হচ্ছেন। স্কুলে পড়া সানজিদা মনীষা জানান, তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ নথিপত্র জমা দিয়েছেন, কিন্তু লোন পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে গ্যারান্টার বিষয়টি। আইনজীবী ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিনের পরামর্শে, তিনি লিখিতভাবে ব্যাংককে লোন বাতিল বা স্থগিত করার কারণ জানতে চান এবং আবেদনের অবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পেতে চান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের শিক্ষার্থী সানজিদা মনীষা আট মাস ধরে স্কুটি লোন আবেদনে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অস্বীকারের মুখোমুখি
- 📌 লোন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে গ্যারান্টার হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত মায়ের নাম দিতে চান, কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পলিসি অনুযায়ী তা নিশ্চিত নয়
- 📌 আইনজীবী পরামর্শ দিয়েছেন লিখিতভাবে ব্যাংককে লোন বাতিল বা স্থগিত করার কারণ জানতে চাওয়া এবং আবেদনের অবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পেতে চাওয়া
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে (সিআইপিসি) অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে — হটলাইন: ১৬২৩৬, ইমেইল: [email protected]
- 📌 লোন আবেদনের অবস্থা জানতে চাইলে ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার বা লোন অফিসারকে লিখিত আবেদনপত্র জমা দিতে হবে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের শিক্ষার্থী সানজিদা মনীষা একটি স্কুটি কেনার জন্য লোন আবেদন করেছেন। তিনি স্কুলে পড়েন এবং বেতনসংক্রান্ত কোনো সমস্যা নেই। তবে আট মাস ধরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের লোন আবেদন ঝুলিয়ে রাখছে। তিনি জানান, তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়েছেন এবং তিন বোনের মধ্যে তিনি একমাত্র কর্মরত পরিবারের সদস্য। বাবা মৃত্যুবরণ করেছেন এবং মা চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন।
ব্যাংকের লোন পলিসি সম্পর্কে ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন বলেন, কোনো গ্যারান্টার দিলে লোন নিশ্চিত হবে এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। ব্যাংক বা ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পরিশোধের ক্ষমতা, ক্রেডিট ঝুঁকি এবং নিজস্ব নথিভুক্ত যোগ্যতার মানদণ্ড বিবেচনা করতে হয়। সানজিদার মা যদি নিয়মিত পেনশন পান এবং তার প্রমাণ দেখানো যায়, তবে তিনি কিছু প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারেন। তবে অবসরপ্রাপ্ত মানুষের ক্ষেত্রে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টার পলিসিতে সমস্যা হতে পারে।
আইনজীবী পরামর্শ দিয়েছেন, প্রথমে ব্যাংককে লিখিতভাবে জিজ্ঞাসা করা উচিত যে, তাদের বর্তমান পলিসি অনুযায়ী সানজিদার প্রস্তাবিত গ্যারান্টারের কোন যোগ্যতা লাগবে। এছাড়া লোন বাতিল বা স্থগিত করার নির্দিষ্ট কারণও লিখিতভাবে জানতে চাওয়া যেতে পারে। সানজিদা আবেদনের অবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পেতে চান এবং আগে জমা দেওয়া ডকুমেন্টের তালিকা তৈরি রাখবেন।
"আপনার অ্যাপ্লিকেশন নম্বর, সাবমিশনের তারিখ এবং আগে জমা দেওয়া ডকুমেন্টের তালিকা তৈরি রাখবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহকসেবা-বিষয়ক নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানিতে অভিযোগ জানাতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সানজিদা মনীষা, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আট মাস (ঘোরানো হয়েছে), ১৬২৩৬ (ব্যাংকের হটলাইন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!