📌 মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে সিঙ্গাপুর থেকে নতুন কার্গো আনা হয়েছে। ‘ওয়েন চেং’ জাহাজে করে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে মোট ১৯টি এলএনজি কার্গো আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে
মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) সিঙ্গাপুর থেকে নতুন একটি এলএনজি কার্গো আনা হয়েছে। ‘ওয়েন চেং’ নামের এলএনজিবাহী জাহাজে করে এই কার্গোটি দেশে এসেছে। বিপি সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে স্পট মার্কেটের মাধ্যমে এই কার্গোটি কেনা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে ‘ওয়েন চেং’ জাহাজটির সঙ্গে টার্মিনালের প্রথম সংযোগ স্থাপিত হয়। এরপর জাহাজ থেকে টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিঙ্গাপুর থেকে ‘ওয়েন চেং’ জাহাজে করে এলএনজি কার্গো আনা হয়েছে মহেশখালীর টার্মিনালে
- 📌 স্পট মার্কেটে বিপি সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে কার্গো কেনা হয়েছে
- 📌 ২ অক্টোবর সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে জাহাজ ও টার্মিনালের সংযোগ স্থাপিত হয়
- 📌 অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে মোট ১৯টি এলএনজি কার্গো আমদানি নিশ্চিত
- 📌 ১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৬২৫ মিলিয়ন ঘনফুট
📰 বিস্তারিত
সিঙ্গাপুর থেকে এলএনজি কার্গো আনার পাশাপাশি, সেপ্টেম্বর মাসেও বিভিন্ন উৎস থেকে একাধিক এলএনজি কার্গো দেশে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভোর, ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জির মাধ্যমে এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে আরামকো সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হয়েছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে মোট ১৯টি এলএনজি কার্গো আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরে ১০টি এবং নভেম্বরে ৯টি কার্গো আসার কথা রয়েছে। এসব কার্গো যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা সহ বিভিন্ন দেশ থেকে কেনা হয়েছে।
১ অক্টোবর দুপুর ২টার হিসাবে দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৬২৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে সরবরাহ হয়েছে ১ হাজার ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট।
"‘ওয়েন চেং’ জাহাজের সঙ্গে টার্মিনালের প্রথম সংযোগ স্থাপিত হয় শুক্রবার সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে। এরপর এলএনজি স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহেশখালী, এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পেট্রোবাংলা, বিপি সিঙ্গাপুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ৬২৫ মিলিয়ন ঘনফুট (মোট গ্যাস সরবরাহ), ১ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট (দেশীয় গ্যাস), ১ হাজার ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট (আমদানি এলএনজি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!