📌 দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে গ্যাস সরবরাহ ৪০ কোটি ঘনফুট কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। পেট্রোবাংলা গ্রাহকদের দুঃখ প্রকাশ করেছে
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশের গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্যাস সরবরাহ ৪০ কোটি ঘনফুট কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে দুর্যোগের কারণে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
- 📌 গ্যাস সরবরাহ ৪০ কোটি ঘনফুট কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে।
- 📌 গত ১৬ আগস্ট থেকে স্বাভাবিক সরবরাহ শুরু হলেও আবহাওয়ার কারণে বাধা পড়েছে।
- 📌 দেশের গ্যাস চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হচ্ছে ২৭০ কোটি ঘনফুট।
- 📌 এলএনজি সরবরাহের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে।
📰 বিস্তারিত
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে সরবরাহে বাধা পড়েছে। মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এবং দেশীয় কোম্পানি সামিটের টার্মিনাল দুটোই সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কাজ করছিল। তবে আজ বিকেল পাঁচটায় একটি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন এলএনজি জাহাজ আসলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে টার্মিনালে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে গতকাল ২৬০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়েছিল, কিন্তু আজ সন্ধ্যায় তা কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে।
পেট্রোবাংলা বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, দুর্যোগের কারণে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এর ফলে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহে কমতি দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে আবহাওয়ার উন্নতি হলে দ্রুততম সময়ে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের ভাসমান টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সেখান থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসে এবং দেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়। গত ১৫ আগস্ট ওই টার্মিনাল পুরোদমে গ্যাস সরবরাহের জন্য তৈরি হলেও আমদানি করা জাহাজ না আসায় সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হয়নি।
"দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর করায় বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে এলএনজি সরবরাহ কমায় সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ কিছুটা কমেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহেশখালী, কক্সবাজার, বঙ্গোপসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পেট্রোবাংলা কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২০ কোটি ঘনফুট (সরবরাহ), ৪০ কোটি ঘনফুট (কমতি), ৩৮০ কোটি ঘনফুট (চাহিদা), ৩৫-৪০ শতাংশ (এলএনজি সরবরাহের অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!