📌 গরুর মাংসের খুচরা দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামাতে আইনি নোটিশ পাঠান আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। বর্তমান দাম ৭৮০-৮৫০ টাকা হওয়ায় দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে
ঢাকায় গরুর মাংসের খুচরা দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামাতে সরকারকে আইনি চাপ সৃষ্টি করেছে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি জনস্বার্থে মন্ত্রিপরিষদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সরকারি কর্মকর্তাদের নোটিশ পাঠিয়ে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন রোববার (১১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট থেকে নোটিশ পাঠান।
- 📌 বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকা — দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের জন্য অপেক্ষাকৃত অ্যাক্সেসিবল নয়।
- 📌 নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পুষ্টির চাহিদা পূরণে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, বিশেষত শিশুদের জন্য।
- 📌 আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্বের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানির উদাহরণ দিয়ে গরুর মাংস আমদানির সুযোগ চাওয়া হয়েছে।
- 📌 সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে পুষ্টির অধিকার ও জীবনের অধিকারকে রক্ষার দাবি করা হয়েছে।
- 📌 ১৫ দিনের মধ্যে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি জানানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সরকারকে নোটিশ পাঠান আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, বর্তমানে গরুর মাংসের দাম ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য অপেক্ষাকৃত অ্যাক্সেসিবল নয়। এতে সাধারণ মানুষের, বিশেষত শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্বের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর তৈরি পোশাক আমদানির উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, উৎপাদন ব্যয় বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে পোশাক আমদানি করা হয়। একইভাবে, গরুর মাংস আমদানির সুযোগ তৈরি হলে দেশের বাজারে দাম কমানো সম্ভব হতে পারে বলে যুক্তি দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে খাদ্যসহ মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ১৮(১) অনুচ্ছেদে জনগণের পুষ্টির স্তর ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে রাষ্ট্রের দায়িত্বের বিষয়টি উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, গরুর মাংসের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে আমদানির সুযোগ না থাকায় দেশীয় বাজারে প্রতিযোগিতা সীমিত হচ্ছে। এতে কিছু খামারি ও পশুখাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া মুনাফার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে আরও দাবি করা হয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদপ্রাপ্ত হালাল হিমায়িত মাংস আমদানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতি কেজি গরুর মাংসের খুচরা মূল্য ২৫০ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
"দেশের বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উচ্চমূল্যের কারণে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গরুর মাংস কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ টাকা (দাম), ৭৮০-৮৫০ টাকা (বর্তমান দাম), ১৫ দিন (মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!