📌 লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে ইলিশের মৌসুমে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ ধরা পড়ছে। ফলে প্রতি কেজি ইলিশের দাম গড়ে ৭০০ টাকা কমেছে। জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ৫৩ হাজার জেলে মাছ ধরার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন
লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে ইলিশের মৌসুমে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ ধরা পড়ছে। ফলে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে এবং প্রতি কেজি ওজনের ইলিশের দাম গড়ে ৭০০ টাকা কমেছে। জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুরের পাঁচটি উপজেলায় প্রায় ৫৩ হাজার জেলে মাছ ধরার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে ইলিশের মৌসুমে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ ধরা পড়ছে, ফলে ৩০টি মাছঘাট সরগরম হয়ে উঠেছে
- 📌 প্রতি কেজি ইলিশের বর্তমান দাম ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, গত সপ্তাহের তুলনায় ৭০০ টাকা কমেছে
- 📌 এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম এখনো ২ হাজার টাকায় থেমে আছে, তবে ছোট আকারের ইলিশের দাম আরও কমেছে
- 📌 জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র পরিচালক মো. লুৎফুর রহমান বলেছেন, সামনে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন
- 📌 মৎস্য বিভাগ আগামী ৬ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য মা ইলিশ রক্ষার জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে
📰 বিস্তারিত
লক্ষ্মীপুর জেলার আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকা ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক দিন ধরে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ায় লক্ষ্মীপুরের প্রায় ৩০টি মাছঘাট সরগরম হয়ে উঠেছে। তবে মাছের আকার তুলনামূলক ছোট বলে জানিয়েছেন জেলেরা। গত সপ্তাহে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হতো, বর্তমানে একই ওজনের ইলিশের দাম ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মতিরহাটের জেলে লিটন মাঝি বলেছেন, ‘নদীতে মাছ না পাওয়ায় দীর্ঘদিন নদীর পাড়ে অলস সময় পার করেছি। গত কয়েক দিন ধরে জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ায় ঘাটে মাছ বিক্রি করে আবার নদীতে মাছ শিকারে নামতে হচ্ছে। এভাবে মাছ পেলে আর কোনো কষ্ট থাকবে না। ইলিশ ধরা পড়ায় খুশি।’
ক্রেতা মো. তুষার ইসলাম ও সালামত উল্যাহ বলেছেন, মাছের সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমছে। সামনে দাম আরও কমবে বলে আশা করছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, ভারতে মাছ বিক্রির প্রভাব প্রতিটি ঘাটে পড়েছে। সিন্ডিকেটের কারণে ঘাটে মাছের দাম বেড়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। ক্রেতা ও বিক্রেতারা বলেছেন, বাজারে তদারকি না থাকায় ইলিশের দাম বাড়ছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র পরিচালক মো. লুৎফুর রহমান বলেছেন, ‘গত কয়েক দিনের তুলনায় সাগরের পাশাপাশি মেঘনায়ও বেশি পরিমাণে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। সামনে আরও বাড়বে বলে আশা করছি। ইলিশের সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে।’
"নদীতে মাছ না পাওয়ায় দীর্ঘদিন নদীর পাড়ে অলস সময় পার করেছি। গত কয়েক দিন ধরে জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ায় ঘাটে মাছ বিক্রি করে আবার নদীতে মাছ শিকারে নামতে হচ্ছে। এভাবে মাছ পেলে আর কোনো কষ্ট থাকবে না। ইলিশ ধরা পড়ায় খুশি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুর জেলা, মেঘনা নদী, আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. লুৎফুর রহমান (জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র পরিচালক), লিটন মাঝি (জেলে), মো. তুষার ইসলাম ও সালামত উল্যাহ (ক্রেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কিলোমিটার (ইলিশের অভয়াশ্রম এলাকা), ৫৩ হাজার (জেলে), ৩০টি (মাছঘাট), ৭০০ টাকা (দাম কমেছে), ১ হাজার ৪০০-১ হাজার ৫০০ টাকা (বর্তমান দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!