📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্রামীণ ঋণে কৃষি খাতের অংশ কমে ৯ শতাংশ: কৃষকদের ঋণ চাপ ও সুদ বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ

গ্রামীণ ঋণে কৃষি খাতের অংশ কমে ৯ শতাংশ: কৃষকদের ঋণ চাপ ও সুদ বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১২ বছরে গ্রামীণ ঋণের কৃষি খাতের অংশ কমে ৯ শতাংশে নেমেছে। গবেষণা অনুযায়ী, কৃষি ঋণের সুদ ও পরিশোধ চাপ বৃদ্ধির কারণে কৃষকরা নতুন ব্যবসায়ে ঋণ নিচ্ছেন। কৃষিসচিব মো. সেলিম খান বলেছেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ১০ ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে

১২ বছরে বাংলাদেশের গ্রামীণ ঋণবাজারে কৃষি খাতের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গবেষণা অনুযায়ী, ২০১০ সালে গ্রামের ৩৬ শতাংশ পরিবার ঋণ গ্রহণ করত, যা ২০২২ সালে বেড়ে ৪২ শতাংশে উন্নীত হলেও কৃষির অংশ কমে ১৬ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ এক যুগে কৃষি ঋণের অংশ কমেছে প্রায় ৯ শতাংশ। গ্রামীণ অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণে এই পরিবর্তন ঘটেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১০ সালে গ্রামে ৩৬ শতাংশ পরিবার ঋণ নিত, ২০২২ সালে তা বেড়ে ৪২ শতাংশে হলেও কৃষির অংশ কমে ১৬ শতাংশে নেমেছে
  • 📌 ২০১০ সালে কৃষির জন্য ঋণের অংশ ছিল ২৫ শতাংশ, এখন তা ১৬ শতাংশে নেমেছে
  • 📌 গ্রামে ৯০ শতাংশ ঋণ এনজিও থেকে নেওয়া হয়, সুদ ও পরিশোধ চাপের কারণে কৃষকরা নতুন ব্যবসায়ে ঋণ নিচ্ছেন
  • 📌 কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ব্যাংক ঋণ কম দিচ্ছে, কৃষকরা আত্মীয়, এনজিও ও মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিচ্ছেন
  • 📌 কৃষিসচিব মো. সেলিম খান বলেছেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে
  • 📌 গবেষণা অনুযায়ী, ২০১০ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া পরিবারের হার ছিল ৪.৭ শতাংশ, এখন তা কমে ২.৯ শতাংশে নেমেছে

📰 বিস্তারিত

গত সোমবার বাংলাদেশের খাদ্যব্যবস্থায় অর্থায়নের সুযোগ, চ্যালেঞ্জ ও নীতিগত করণীয় নিয়ে ‘ফিন্যান্সিং ফুড সিস্টেমস ইন বাংলাদেশ: এভিডেন্স অ্যান্ড পলিসি ডায়ালগ’ শীর্ষক একটি নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এবং আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইএফপিআরআই) যৌথভাবে আয়োজন করে।

বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক কাজী ইকবালের উপস্থাপনায় জানা যায়, গ্রামে প্রতি চারটি ঋণের তিনটি এনজিও থেকে নেওয়া হয়। ২০১০ সালে গ্রামে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া পরিবারের হার ছিল ৪.৭ শতাংশ, যা ২০২২ সালে কমে ২.৯ শতাংশে নেমেছে। এছাড়াও, কৃষিঋণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০১০ সালে সারের জন্য ঋণের ৪৪ শতাংশ ব্যয় হতো, যা ২০২২ সালে বেড়ে ৫৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

কৃষি যান্ত্রিকীকরণে অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনা করে আইএফপিআরআইয়ের প্রতিনিধি মেহরাব বখতিয়ার বলেন, কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ১ লাখ থেকে ৩২ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রয়োজন হয়। তবে ব্যাংকগুলো যন্ত্র ক্রয়ের জন্য মাত্র ২ থেকে ৭ শতাংশ অর্থায়ন করে। এছাড়াও, কৃষকরা যন্ত্র ক্রয়ের জন্য আত্মীয় (৩২ শতাংশ), এনজিও (২৭ শতাংশ) ও মহাজন (৮ শতাংশ) থেকে ঋণ নিচ্ছেন।

কৃষিসচিব মো. সেলিম খান বলেন, কৃষককে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে সরকার কৃষিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এই বছর পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি এবং দুই বছরের মধ্যে মরিচ ও টমেটো আমদানির প্রয়োজন হবে না।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হক বলেন, কৃষি পরিবার বিলীন হচ্ছে এবং নতুনভাবে ফিরে আসছে। তবে উৎপাদনশীলতা না বাড়াতে পারলে কৃষি খাতকে এগিয়ে নেওয়া কঠিন হবে।

"কৃষককে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেশের কৃষিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে কৃষকদের।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সেলিম খান (কৃষিসচিব), কাজী ইকবাল (বিআইডিএস গবেষণা পরিচালক), মেহরাব বখতিয়ার (আইএফপিআরআই), অধ্যাপক এ কে এনামুল হক (বিআইডিএস মহাপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ শতাংশ (কৃষি ঋণের অংশ কমেছে), ৩৬ শতাংশ (২০১০ সালে ঋণগ্রহণকারী পরিবার), ৪২ শতাংশ (২০২২ সালে ঋণগ্রহণকারী পরিবার), ২৫ শতাংশ (২০১০ সালে কৃষি ঋণের অংশ), ১৬ শতাংশ (২০২২ সালে কৃষি ঋণের অংশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖