📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারে পাঁচ তারকা রিসোর্ট ও হোটেল মালিকানার নতুন বিপণনমূলক উদ্যোগ: ছুটি গ্রুপের দুটি বিলাসবহুল প্রকল্প

কক্সবাজারে পাঁচ তারকা রিসোর্ট ও হোটেল মালিকানার নতুন বিপণনমূলক উদ্যোগ: ছুটি গ্রুপের দুটি বিলাসবহুল প্রকল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারে ছুটি গ্রুপের দুটি বিলাসবহুল প্রকল্প — একটি ১৫-তলা হোটেল ও একটি পাঁচ তারকা রিসোর্ট — পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে। শেয়ারভিত্তিক মালিকানার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে

কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে ছুটি গ্রুপের দুটি বিলাসবহুল প্রকল্প এগিয়ে চলেছে। একটি ১৫-তলা আধুনিক হোটেল প্রকল্প ‘ছুটি বে’ কলাতলী এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, যেখানে ৩০০টি কক্ষসহ ইনফিনিটি পুলসহ সুবিধাসমৃদ্ধ থাকবে। অন্যদিকে, টেকনাফ উপজেলার জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ রোডে ৭.৬৫ বিঘা জমিতে পাঁচ তারকা মানের একটি রিসোর্ট নির্মাণাধীন, যা চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টপ ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে এগিয়ে চলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কক্সবাজারের কলাতলীতে নির্মিত হচ্ছে ‘ছুটি বে’ — ১৫-তলা (জি+১৫) হোটেল প্রকল্প, যেখানে ৩০০টি কক্ষসহ ইনফিনিটি পুলসহ সুবিধা থাকবে
  • 📌 প্রকল্পের শেয়ার মূল্য ১৩ লাখ টাকা, মালিকানা ২০৩০ সাল নাগাদ হস্তান্তর করা হবে
  • 📌 টেকনাফের জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ রোডে ৭.৬৫ বিঘা জমিতে পাঁচ তারকা রিসোর্ট নির্মিত হচ্ছে, যেখানে শেয়ারভিত্তিক মালিকানার সুযোগ রয়েছে
  • 📌 প্রকল্প দুটিই পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে, যেখানে বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজারের পর্যটন খাতের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে ছুটি গ্রুপের দুটি বিলাসবহুল প্রকল্প। প্রথমত, কলাতলী এলাকায় নির্মিত হচ্ছে ‘ছুটি বে’ নামে একটি ১৫-তলা (জি+১৫) হোটেল প্রকল্প। প্রায় দুই বিঘা জমিতে নির্মিতব্য এই প্রকল্পে ৩০০টি কক্ষসহ একাধিক সুইমিংপুল থাকবে, যার মধ্যে একটি ইনফিনিটি পুলও অন্তর্ভুক্ত। সমুদ্রসৈকতের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে প্রকল্পটি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় আবাসন হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্রকল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শেয়ারভিত্তিক মালিকানার সুযোগ। বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনে প্রকল্পের মালিকানার অংশীদার হতে পারবেন। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ লাখ টাকা, এবং প্রকল্পের হস্তান্তর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩০ সাল। প্রকল্পের পরিকল্পনায় পর্যটকদের আরামদায়ক ও প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় প্রকল্পটি হলো টেকনাফ উপজেলার জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ রোডে নির্মিত হচ্ছে পাঁচ তারকা মানের একটি রিসোর্ট। ৭.৬৫ বিঘা জমিতে নির্মিত এই প্রকল্পে আধুনিক স্থাপত্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও উন্নত হসপিটালিটি সুবিধা থাকবে। প্রকল্পের নির্মাণকাজে যুক্ত রয়েছে চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টপ ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (টিআইইসি)। ইতিমধ্যে প্রকল্পের কোর ম্যাট ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা নির্মাণ অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

রিসোর্ট প্রকল্পেও শেয়ারভিত্তিক মালিকানার সুযোগ রয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তিরা রিসোর্টের মালিকানার অংশীদার হতে পারবেন। প্রকল্পের অবস্থানও এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কক্সবাজারের পর্যটননগরী থেকে কিছুটা দূরে জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ রোডে সমুদ্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কাছাকাছি জায়গায় রিসোর্টটি নির্মিত হচ্ছে। ফলে পর্যটকদের জন্য অবকাশযাপনের পাশাপাশি প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হবে।

"কক্সবাজারে শুধু ভ্রমণ নয়; পর্যটননির্ভর সম্পদ ও হোটেল মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য ছুটি বে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার (কলাতলী ও টেকনাফ উপজেলার জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ রোড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ছুটি গ্রুপ (প্রকল্পের উদ্যোক্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ তলা (হোটেল), ৩০০টি কক্ষ, ১৩ লাখ টাকা (শেয়ার মূল্য), ৭.৬৫ বিঘা জমি (রিসোর্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖