📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কীটনাশক ছাড়াই ফসল রক্ষা: কিশোরগঞ্জের কৃষকরা পাখির সাহায্যে পোকা দমন করছে পার্চিং পদ্ধতিতে

কীটনাশক ছাড়াই ফসল রক্ষা: কিশোরগঞ্জের কৃষকরা পাখির সাহায্যে পোকা দমন করছে পার্চিং পদ্ধতিতে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় আমন ধানের ক্ষেতে পোকা দমনের জন্য কৃষকরা পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। পোকাখেকো পাখিদের আকৃষ্ট করে কীটনাশক ছাড়াই ফসল রক্ষা করছেন তারা। এ পদ্ধতিতে জমিতে বাঁশের কঞ্চি বা গাছের ডাল পুঁতে দিলে পাখিরা বসে ক্ষতিকারক পোকা খেয়ে ফেলে

কীটনাশক ছাড়াই ফসল রক্ষার নতুন পদ্ধতি হিসেবে কিশোরগঞ্জের কৃষকরা পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। ধানের শীষে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে কৃষকরা এখন পোকাখেকো পাখিদের আকৃষ্ট করছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, কৃষকরা জমিতে বাঁশের কঞ্চি, গাছের ডাল বা ধইঞ্চার ডাল পুঁতে দিচ্ছেন। এসব কঞ্চিতে বসে পাখিরা ক্ষতিকারক পোকা ও তাদের ডিম খেয়ে ফেলছে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাচ্ছে এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ফসল রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় আমন ধানের ক্ষেতে পোকা দমনের জন্য কৃষকরা পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।
  • 📌 বিঘাপ্রতি পাঁচ থেকে ছয়টি করে বাঁশের কঞ্চি বা গাছের ডাল পুঁতে দেওয়া হচ্ছে, যেখানে ফিঙে, শালিক, দোয়েল, বুলবুলিসহ পোকাখেকো পাখিরা বসে পোকা খায়।
  • 📌 পার্চিং পদ্ধতিতে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাওয়ায় কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে এবং পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাবও হ্রাস পাচ্ছে।
  • 📌 উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৮২৩ হেক্টর, কিন্তু এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৪৫৩ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে।
  • 📌 কৃষিবিদ বিকাশ রায় বলেছেন, পার্চিং পদ্ধতিতে একটি ফিঙে পাখি দিনে কমপক্ষে ৩০টি মাজরা পোকার মথ খায়। ফলে পোকার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

📰 বিস্তারিত

কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে কৃষকরা এখন পার্চিং পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। ধানের ক্ষেতে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে কৃষকরা জমিতে বাঁশের কঞ্চি, গাছের ডাল বা ধইঞ্চার ডাল পুঁতে দিচ্ছেন। এসব কঞ্চিতে বসে পাখিরা ক্ষতিকারক পোকা ও তাদের ডিম খেয়ে ফেলছে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাচ্ছে এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ফসল রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে।

তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, কৃষকরা জমিতে বিঘাপ্রতি পাঁচ থেকে ছয়টি করে বাঁশের কঞ্চি বা গাছের ডাল পুঁতে দিচ্ছেন। এসব কঞ্চিতে বসে ফিঙে, শালিক, দোয়েল, বুলবুলি, শ্যামা, সাতভায়রা এবং অন্যান্য পোকাখেকো পাখিরা ক্ষতিকারক পোকা খেয়ে ফেলছে। এ পদ্ধতিতে মাজরা পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, চুঙ্গি পোকা, ধানের স্কিপা পোকার মথ, শিষ কাটা লেদা পোকা, সবুজ শুঁড় লেদা পোকা, শুঁড় ঘাসফড়িং, লম্বা শুঁড় ঘাসফড়িং ও উড়চুঙ্গাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক পোকা দমন করা হচ্ছে।

কৃষকদের মতে, পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে আলাদা কোনো বড় খরচ নেই। আশপাশে পাওয়া বাঁশের কঞ্চি, গাছের ডাল কিংবা ধইঞ্চার ডাল দিয়েই এটি তৈরি করা যায়। এতে বাড়তি অর্থ ব্যয় ছাড়াই জমিতে পোকা দমনের ব্যবস্থা করা সম্ভব। একই সঙ্গে পাখির বিষ্ঠা জমিতে জৈব পদার্থ হিসেবে যোগ হওয়ায় মাটির উর্বরতাও বাড়ে।

"পার্চিং পদ্ধতি ফসলের ক্ষতিকারক পোকা দমনের একটি কম ব্যয়বহুল ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাওয়ায় ফসল উৎপাদন খরচও কমে আসে।"

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৮২৩ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৪০ হেক্টর, উফশী ধানের ৭ হাজার ২৮০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৩ হেক্টর। কিন্তু এ পর্যন্ত হাইব্রিড ধানের চাষ হয়েছে ৫০০ হেক্টর, উফশী ধানের ৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৩ হেক্টর। সব মিলিয়ে ৫ হাজার ৪৫৩ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তাড়াইল উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষিবিদ বিকাশ রায়, কৃষকদের (আব্দুল মান্নান, আব্দুল কাদির, রহমত আলী, জামাল উদ্দিন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ সেপ্টেম্বর, ৭ হাজার ৮২৩ হেক্টর (লক্ষ্যমাত্রা), ৫ হাজার ৪৫৩ হেক্টর (চাষ হয়েছে), ৫৪০ হেক্টর (হাইব্রিড), ৭ হাজার ২৮০ হেক্টর (উফশী), ৩ হেক্টর (স্থানীয় জাত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖