📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাঁচ লাখ টাকার ছোট উদ্যোগ থেকে আড়াই কোটি টাকার ব্যবসায়ী খালেদা বেগমের সফলতার গল্প

পাঁচ লাখ টাকার ছোট উদ্যোগ থেকে আড়াই কোটি টাকার ব্যবসায়ী খালেদা বেগমের সফলতার গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পটুয়াখালী থেকে ঢাকায় এসে শিক্ষা ও ব্যবসায়ে সফলতা অর্জনকারী খালেদা বেগম করোনা মহামারির পর কোটপিন ব্যবসায় দিয়ে বছরে আড়াই কোটি টাকা আয় করছেন। ২৫ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়াঙ্গনে সুনাম কুড়িয়েছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে ঢাকায় এসে শিক্ষা ও উদ্যোক্তা হিসেবে সফলতা অর্জনকারী খালেদা বেগমের ছোট ব্যবসা বর্তমানে বছরে আড়াই কোটি টাকার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। করোনা মহামারির পর কোটপিন ও মেটাল ব্যাজ তৈরির ব্যবসায় দিয়ে তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন ২৫ জনের জন্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পটুয়াখালী থেকে ঢাকায় এসে এমবিএ সম্পন্ন খালেদা বেগম ২০১১ সালে শুরু করেছিলেন ক্রেস্ট তৈরির ব্যবসা, যা করোনায় বন্ধ হয়ে যায়
  • 📌 করোনা মহামারির পর কোটপিন ও মেটাল ব্যাজ তৈরির ব্যবসায় রূপান্তরিত হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা বর্তমানে বছরে আড়াই কোটি টাকা আয় করে
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের জন্য ৫০ লাখ টাকার কোটপিন ও সুভ্যেনির কাজ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করে
  • 📌 বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাস্টমাইজড পণ্য সরবরাহ করে
  • 📌 ২৫ জন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন ক্রীড়াঙ্গনেও মেডেল ও ট্রফি তৈরির কাজ করে

📰 বিস্তারিত

খালেদা বেগমের ব্যবসার শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে। তখন তিনি বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করছিলেন। বিয়ের পর ঢাকায় চলে আসার পরেও তিনি পড়াশোনা বন্ধ করেননি। বরিশাল থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন।

২০১১ সালে খালেদা বেগমের স্বামী এস এম আবদুস শাকুর এবং চার বন্ধুর সাথে মিলে রাজধানীর কাঁটাবনে ক্রেস্ট তৈরির ব্যবসা শুরু হয়। শুরুতে এক লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে ট্রফি, ক্রেস্ট ও চাবির রিং বিক্রি করতেন তারা। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ট্রফি ও ক্রেস্টের চাহিদা নেমে আসে এবং ব্যবসায় মারাত্মক আর্থিক সংকট দেখা দেয়।

ব্যবসা ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও খালেদা বেগম কর্মীদের কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা করেন। তিনি এবং তাঁর স্বামী ধাতব মুদ্রা দিয়ে কোটপিন ও মেটাল ব্যাজ তৈরির ব্যবসায় রূপান্তরিত হন। শুরুতে ফেসবুকে ‘কোট পিন বিডি’ নামে একটি পেজ খুলে ব্যবসা শুরু করেন। প্রথম বড় ক্রয়াদেশ আসে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের শতবর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠানে। ওই কাজের জন্য ৫০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন তারা।

"অতিরিক্ত মুনাফার চেয়ে গ্রাহকের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সুসম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দিই আমরা। তাই বছরজুড়েই আমরা ক্রেতাদের সঙ্গে ভালো ব্যবসা করছি।"

বর্তমানে ‘কোট পিন বিডি’ প্রতিষ্ঠানটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য হ্যাঙ্গিং ব্যাজ, শোল্ডার ব্যাজ, কাস্টমাইজড কোটপিন, টাইপিন, কাফলিং ও নেমপ্লেট তৈরি করে। এছাড়াও তারা ডায়েরি, নোটবুক, ওয়ালেট, পাওয়ার ব্যাংক, পেনড্রাইভ, পানির বোতল ও পেপারওয়েটের ব্যবসাও করে। প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন ক্রীড়াঙ্গনে মেডেল ও ট্রফি তৈরির কাজও করে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (এলিফ্যান্ট রোড), বরিশাল, পটুয়াখালী (কলাপাড়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খালেদা বেগম (স্বত্বাধিকারী, কোট পিন বিডি), এস এম আবদুস শাকুর (স্বামী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন কর্মসংস্থান, ৫০ লাখ টাকা (বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ), ২০১১ (ব্যবসা শুরু), ২০২২ (বড় ক্রয়াদেশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖