📌 কাজীপুর উপজেলায় যমুনা ও ইছামতি নদীর চরে শীতকালীন (খরিপ-২) সবজি চাষের ধুম পড়েছে। ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা জুড়ে ৩৫২ হেক্টর জমিতে চাষ শুরু হয়েছে। কৃষকরা লালশাক, ফুলকপি, টমেটোসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করছেন এবং ভালো দাম পাচ্ছেন
কাজীপুর উপজেলায় যমুনা ও ইছামতি নদীর চরে শীতকালীন (খরিপ-২) সবজি চাষের কাজে কৃষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা জুড়ে প্রায় সব গ্রামে এখনই আগাম জাতের সবজি চাষের ধুম পড়েছে। লাভের আশায় কৃষকরা জমি তৈরি, নতুন চারা রোপণ ও আগে লাগানো সবজির পরিচর্যায় ব্যস্ত। বাজারে নতুন সবজির চাহিদা ও দামের ভালো অবস্থা কৃষকদের উৎসাহিত করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কাজীপুর উপজেলায় যমুনা ও ইছামতি নদীর চরে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৪৫২ হেক্টর, এ পর্যন্ত ৩৫২ হেক্টর জমিতে চাষ শুরু হয়েছে
- 📌 কৃষকরা লালশাক, মুলা, ফুলকপি, পাতা কপি, ঢ্যাঁড়শ, পুঁইশাক, টমেটো, লাউ ও মিষ্টিকুমড়া চাষ করছেন
- 📌 কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেছেন, কৃষকরা লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে
- 📌 বাদশা মিয়া বলেছেন, সার, বীজ ও শ্রমিকের খরচ বেড়ে গিয়েছে, ফলে আগের মতো লাভ হয় না
📰 বিস্তারিত
কাজীপুর উপজেলায় যমুনা ও ইছামতি নদীর চরে শীতকালীন (খরিপ-২) সবজি চাষের কাজে কৃষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন জুড়ে প্রায় সব গ্রামে এখনই আগাম জাতের সবজি চাষের ধুম পড়েছে। কৃষকরা জমি তৈরি, নতুন চারা রোপণ ও আগে লাগানো সবজির পরিচর্যায় ব্যস্ত। বাজারে নতুন সবজির চাহিদা ও দামের ভালো অবস্থা কৃষকদের উৎসাহিত করছে।
কৃষকরা লালশাক, মুলা, ফুলকপি, পাতা কপি, ঢ্যাঁড়শ, পুঁইশাক, টমেটো, লাউ ও মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করছেন। ইতোমধ্যে অনেক কৃষক আগাম জাতের সবজি বাজারে তুলেছেন এবং ভালো দাম পাচ্ছেন। কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫২ হেক্টর। এ পর্যন্ত ৩৫২ হেক্টর জমিতে চাষ শুরু হয়েছে।
কাজীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেছেন, এ বছর আগাম শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ভালো। তিনি বলেন, কৃষকরা এখন লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে তারা সুষম সার ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়াতে পারেন।
পাঁচগাছি গ্রামের বাদশা মিয়া বলেন, সার, বীজ ও কীটনাশকের দাম আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। তার ওপর শ্রমিকের পারিশ্রমিক ও ছাড়া এত খরচ করে চাষাবাদ করে আগের মতো লাভ হয় না। তিনি বলেন, এই কারণে তিনি এখন আগের মতো বেশি জমি নিয়ে চাষ করছেন না।
"সার, বীজ ও কীটনাশকের দাম আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। তার ওপর শ্রমিকের পারিশ্রমিক ও ছাড়া এত খরচ করে চাষাবাদ করে আগের মতো লাভ হয় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাজীপুর উপজেলা, যমুনা ও ইছামতি নদীর চর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাদশা মিয়া, শরিফুল ইসলাম (কৃষি কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫২ হেক্টর (লক্ষ্যমাত্রা), ৩৫২ হেক্টর (চাষ করা জমি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!