📌 জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় অনুকূল আবহাওয়ায় শসা চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। ৬০ হেক্টর জমিতে চাষের ফলে দুই হাজার মেট্রিক টন শসা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা লাভজনক চাষের কারণে আরও জমিতে শসা চাষের আগ্রহ দেখাচ্ছেন
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় শসা চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় এ বছর প্রায় ৬০ হেক্টর জমিতে চাষ করা শসা থেকে দুই হাজার মেট্রিক টন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে, কারণ শসা চাষের খরচ কম এবং লাভের সম্ভাবনা বেশি। এছাড়াও বাজারে সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুরের মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টর জমিতে শসা চাষের ফলে দুই হাজার মেট্রিক টন উৎপাদনের সম্ভাবনা
- 📌 প্রতি কেজি শসা পাইকারি বাজারে ৩০-৪০ টাকা, খুচরা বাজারে ৫০-৬০ টাকা
- 📌 কৃষকরা গ্রিন বিউটি, জাদু, জিনিয়া ও ময়নামতিসহ উন্নত জাতের শসা চাষ করছেন
- 📌 প্রতি বিঘা জমিতে খরচ ১৫-২০ হাজার টাকা, ভাল ফলনে বিক্রি হয় ৩০-৪০ হাজার টাকা
- 📌 কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মাটি ও আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ফলন ভাল হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর শসা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। স্থানীয় কৃষকরা মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ করছেন। মাদারগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শসা চাষের পরিস্থিতি দেখতে গেলে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠে শসার চাষ হয়েছে। কোথাও শসা ফুল ফুটেছে, কোথাও ফল ধরে গেছে। কৃষকরা সেচ দিচ্ছেন, গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত এবং কেউ কেউ শসা তুলে বাজারে নিয়ে যাচ্ছেন।
কৃষক সাইদুর রহমান বলেন, শসার বীজ রোপণের ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধরতে শুরু করে। এ বছর ফলন ভাল হয়েছে এবং বাজারে দামও ভাল পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “ফলন ও দাম এভাবে অব্যাহত থাকলে শসা চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।”
তৈয়ব আলী বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে শসা চাষে খরচ হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। ভাল ফলন হলে প্রতি বিঘার শসা বিক্রি করা যায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। তবে শ্রমিকের মজুরি, সেচ, সার ও বাজারজাতকরণের খরচের ওপর প্রকৃত লাভ নির্ভর করে। তিনি বলেন, “এবার দাম ভাল থাকায় আমরা খুশি। আগামীতে আরও জমিতে শসা চাষ করার ইচ্ছা আছে।”
মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “চাষিরা আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে শসার আবাদ করছেন। এবার প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন শসা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার মাটি ও জমি শসা চাষের জন্য উপযোগী। ফলে প্রতিবছরই শসার আবাদ বাড়ছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার ফলনও ভাল হয়েছে।”
"শসার বীজ রোপণের ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধরতে শুরু করে। এবার ফলন ভাল হয়েছে। বাজারে দামও ভাল পাওয়া যাচ্ছে। ফলন ও দাম এভাবে অব্যাহত থাকলে শসা চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষক সাইদুর রহমান, তৈয়ব আলী, কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হেক্টর জমি, ২০০০ মেট্রিক টন শসা, ৩০-৪০ টাকা (পাইকারি), ৫০-৬০ টাকা (খুচরা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!