📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদে প্রস্তাব করেছে ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে পৃথক করে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা। ব্যাংক সংখ্যা কমিয়ে আনা, ঋণ অনুমোদন ক্ষমতা বাতিল, ঋণখেলাপীদের কঠোর শাস্তি ও পাচার সম্পদ ফেরত আনার প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাবগুলিকে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেছেন
জাতীয় সংসদে জামায়াতের প্রস্তাব: ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যবসা-রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করে শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোরালো দাবি তুলেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠকে উত্থাপিত এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক সংখ্যা কমিয়ে আনা, পরিচালনা পর্ষদের হাতে ঋণ অনুমোদনের বিশেষ ক্ষমতা বাতিল করা, ঋণখেলাপীদের কঠোর শাস্তি এবং পাচার হওয়া সম্পদ ফেরত আনার ব্যবস্থা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে পৃথক: জামায়াতের প্রস্তাবে ব্যাংকিং খাতকে সম্পূর্ণ পেশাদার ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার জন্য রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে আনতে হবে।
- 📌 ব্যাংক সংখ্যা কমিয়ে আনা: ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ব্যাংক সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
- 📌 ঋণ অনুমোদন ক্ষমতা বাতিল: পরিচালনা পর্ষদের হাতে ঋণ অনুমোদনের বিশেষ ক্ষমতা বাতিল করার দাবি উত্থাপিত হয়েছে।
- 📌 ঋণখেলাপীদের কঠোর শাস্তি: অর্থ লোপাটকারী ঋণখেলাপীদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
- 📌 পাচার সম্পদ ফেরত আনা: পাচার হওয়া সম্পদ ফেরত আনার জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে।
- 📌 অর্থমন্ত্রী সমর্থন: অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাবগুলিকে অর্থনীতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
রোববার (৪ অক্টোবর) ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় জামায়াতের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ও অর্থ কমিটির সদস্য সাইফুল আলম ব্যাংকিং খাত সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে দিনের পর দিন যে অনিয়ম ও দুর্নীতি তৈরি হয়েছে, তা রোধ করতে হলে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং কঠোর নিরপেক্ষ মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা অত্যাবশ্যক।’
সাইফুল আলম আরও জানান, ‘রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে আর্থিক খাতকে পুরোপুরি পেশাদারভাবে পরিচালনার যে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে, তা দেশের ব্যাংকিং খাত সংস্কারে নতুন মাত্রা যোগ করবে। অর্থমন্ত্রীও নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখে ব্যাংকিং খাত পুনর্বিন্যাসে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
অর্থ কমিটির সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাবগুলিকে অর্থনীতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঋণ অনুমোদনের জন্য সুনির্দিষ্ট ও কঠোর মানদণ্ড স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের হাতে ঋণ অনুমোদনের যে ক্ষমতা রয়েছে, তা বাতিল করার দাবি জানিয়েছি আমরা, যাতে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার বা অনিয়ম না ঘটতে পারে।’
"ব্যাংকিং খাতে দিনের পর দিন যে অনিয়ম ও দুর্নীতি তৈরি হয়েছে, তা রোধ করতে হলে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং কঠোর নিরপেক্ষ মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা অত্যাবশ্যক। রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে আর্থিক খাতকে পুরোপুরি পেশাদারভাবে পরিচালনার যে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে, তা দেশের ব্যাংকিং খাত সংস্কারে নতুন মাত্রা যোগ করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় সংসদ ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাইফুল আলম (জামায়াত), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!