📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে প্যাকেজিং শিল্পের নেতারা বৈঠক করেন। বৈঠকে শিল্পের সম্ভাবনা, সমস্যা ও রফতানি সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। শিল্পের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশের বিষয়ও উঠে আসে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে প্যাকেজিং ও অ্যাক্সেসরিজ শিল্পের নেতারা রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে বৈঠক করেন। বৈঠকে দেশের অর্থনীতিতে প্যাকেজিং শিল্পের ভূমিকা, বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে বিপিএএমইএর নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 বিপিএএমইএর প্রেসিডেন্ট মো. শাহরিয়ার বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা তাদের সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং সংসদে বিষয়গুলো তুলে ধরার আশ্বাস দিয়েছেন।
- 📌 ডা. শফিকুর রহমান প্যাকেজিং শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং লিখিত প্রতিবেদন দানের অনুরোধ করেন।
- 📌 বৈশ্বিক পেপার প্যাকেজিং বাজার ৭০০ বিলিয়ন ডলারের, কিন্তু বাংলাদেশ এ বাজারে খুবই সামান্য অংশ দখল করেছে।
- 📌 বৈঠকে শিল্পের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও ব্যবসায়িক অস্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।
- 📌 বিপিএএমইএ বিরোধীদলীয় নেতাকে আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ার (৬-৯ জানুয়ারি) ও কারখানা পরিদর্শনে আমন্ত্রণ জানায়।
- 📌 শাহরিয়ার বলেন, বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করছে এবং তারা সরকারকে সময় দিতে চায়।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ প্যাকেজিং অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএএমইএ) নেতারা বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি তাদের কাছে প্যাকেজিং শিল্পের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। বৈঠকে প্রায় এক ঘণ্টা সময় নেওয়া হয়। শাহরিয়ার জানান, ‘আমরা আমাদের সেক্টরের সমস্যাগুলো তুলে ধরেছি। একই সঙ্গে সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছি। বিরোধীদলীয় নেতা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে আমাদের কথা শুনেছেন এবং সমস্যাগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে কথা বলা ও জাতীয় সংসদে বিষয়গুলো তুলে ধরার আশ্বাস দিয়েছেন।’
বিপিএএমইএর প্রেসিডেন্ট বলেন, প্যাকেজিং শিল্প শুধু তৈরি পোশাকশিল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি টেরিটাওয়েল, ওষুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন শিল্পের পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক বাজারে শুধু পেপার প্যাকেজিংয়ের বাজার প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ডলারের। অথচ বাংলাদেশ এ বাজারে খুবই সামান্য অংশ দখল করতে পেরেছে। তিনি বলেন, প্যাকেজিং, অ্যাক্সেসরিজ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্যের বিশাল বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
বৈঠকে শিল্প খাতের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। শাহরিয়ার জানান, এ সংকটের কারণে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তিনি বলেন, ‘অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ব্যবসায়ের জন্য হুমকি। ব্যবসায়ীরা শুধু ব্যবসা, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে থাকতে চান। রাজনীতির বিষয়টি রাজনীতিবিদদেরই করা উচিৎ।’
বিপিএএমইএর পক্ষ থেকে বিরোধীদলীয় নেতাকে আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ারে (৬-৯ জানুয়ারি) অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। এ ছাড়া দেশের বিশ্বমানের প্যাকেজিং ও অ্যাক্সেসরিজ কারখানা পরিদর্শনের জন্যও আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিরোধীদলীয় নেতা সময়-সুযোগ অনুযায়ী এসব কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
"আমরা আমাদের সেক্টরের সমস্যাগুলো তুলে ধরেছি। একই সঙ্গে সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছি। বিরোধীদলীয় নেতা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে আমাদের কথা শুনেছেন এবং সমস্যাগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে কথা বলা ও জাতীয় সংসদে বিষয়গুলো তুলে ধরার আশ্বাস দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মিন্টো রোড, সরকারি বাসভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শফিকুর রহমান এমপি, মো. শাহরিয়ার (বিপিএএমইএর প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০ বিলিয়ন ডলার (বৈশ্বিক পেপার প্যাকেজিং বাজার), ৬-৯ জানুয়ারি (আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!