📌 জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকার পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, দাম কমালে না হলে দলটি কঠোর আন্দোলনে নামবে। তারা দাবি করেছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিফলন
ঢাকার পল্টনে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে দলের নেতৃবৃন্দ সরকারের সিদ্ধান্তকে জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেওয়ার ব্যর্থতার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দলের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় (১০:০৯ পিএম) অনুষ্ঠিত সমাবেশে বলেছেন, সরকার ৭ মাসের ব্যবধানে দুই দফায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। তিনি দাবি করেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন খাত থেকে শুরু করে জীবনযাপনের সকল স্তরে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকার পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে দলের নেতৃবৃন্দ।
- 📌 সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিফলন।
- 📌 ৭ মাসের ব্যবধানে দুই দফায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে সরকার, যা পরিবহন খাত থেকে শুরু করে জীবনযাপনের সকল স্তরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
- 📌 আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সর্বনিম্ন থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে সরকারের জনবিচ্ছিন্নতার জ্বলন্ত প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
- 📌 দ্রুত সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে নামবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
- 📌 নগর সেক্রেটারি কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেছেন, সরকার ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের দায়ে দায় এড়াতে চায় এবং পূর্বের সরকারের ওপর দায় দিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
- 📌 সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উদ্ভট কথা বলার কারণে জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার পরিণতি পতিত ফ্যাসিবাদ হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন কে এম শরীয়াতুল্লাহ।
📰 বিস্তারিত
সমাবেশে শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের চড়া দামসহ জীবনযাপনের সকলস্তরে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সংবিধান সংশোধন কমিটির মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন না ইসলামী আন্দোলন। তিনি আরও বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সর্বনিম্ন থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের পিছনে সরকারের জনবিচ্ছিন্নতার জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে।
নগর সেক্রেটারি কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেছেন, সরকার ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান যুদ্ধ ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে দায় এড়াতে চায়। তিনি উল্লেখ করেছেন, পূর্বের সরকারের সময় জ্বালানির দাম এবং সমস্যা এত প্রকট ছিল না। তিনি আরও বলেছেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সাংবাদিকদের সামনে উদ্ভট কথা বলে সংকটে স্ফুলিঙ্গের কাজ করে দিচ্ছেন। তিনি আশঙ্কা করেছেন, স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল হতে বেশি সময় লাগবে না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের জয়েন্ট সেক্রেটারি ফয়জুল ইসলাম, নগর সহসভাপতি আলহাজ এম এইচ মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম খোকন এবং মাওলানা নিজামুদ্দিন।
সমাবেশের সঞ্চালনা করেছেন নগর দপ্তর সম্পাদক মাওলানা নাজিমুদ্দিন। শেখ ফজলুল করীম মারুফ আরও বলেছেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ড সরকারের আইনশৃঙ্খলার অসহায় নিয়ন্ত্রণ বোঝায়। তিনি বলেছেন, শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন না হলে এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
"আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলছি ঠুনকো অজুহাতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি; এ যেন সরকারের জনবিচ্ছিন্নতার জ্বলন্ত প্রমাণ। দ্রুত সমাধান না করলে কঠোর আন্দোলনে নামবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, পল্টন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ ফজলুল করীম মারুফ, কে এম শরীয়াতুল্লাহ, মাওলানা নাজিমুদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০:০৯ পিএম (সমাবেশের সময়), ২১ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ৭ মাস (দাম বৃদ্ধির ব্যবধান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!