📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে হরমুজ বন্ধে বাংলাদেশসহ এশিয়ার এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, শীতকালে দাম ও সংকট বাড়বে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে হরমুজ বন্ধে বাংলাদেশসহ এশিয়ার এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, শীতকালে দাম ও সংকট বাড়বে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় কাতার এনার্জি নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১৮টি এলএনজি কার্গো সরবরাহ বাতিল করেছে। শীতকালে ইউরোপের গ্যাস চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম ও সংকট আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় কাতার এনার্জি নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশসহ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের জন্য এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়েছে। এই সময়ে ইউরোপের শীতকালীন গ্যাস চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম ও সরবরাহ সংকট আরও তীব্র হবে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশসহ পাকিস্তানসহ এশিয়ার ১৮টি এলএনজি কার্গো সরবরাহ বাতিল করেছে কাতার এনার্জি
  • 📌 হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় সরবরাহ ব্যাহত — গত এপ্রিল থেকে এই অবস্থা চলছে
  • 📌 ইতালির এডিসন কোম্পানিকে ডিসেম্বরের প্রথম ভাগ পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
  • 📌 ৯৬ শতাংশ কমে গেছে কাতারের এলএনজি রপ্তানি — আগস্টের শেষ নাগাদ
  • 📌 শীতকালে ইউরোপের গ্যাস চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের পক্ষে এলএনজি আমদানি কঠিন হবে
  • 📌 ৩৫টি এলএনজি কার্গো বাতিল করেছে কাতার — ইতালির এডিসনকে এ পর্যন্ত

📰 বিস্তারিত

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় কাতার এনার্জি নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশসহ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের জন্য এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়েছে। গত এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন শুরু হয়। তখন কাতার প্রথমবার ফোর্স মেজর বা অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দেয়। এরপর এই সিদ্ধান্তের মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়ানো হয়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের কারণে কাতারের এলএনজি রপ্তানি আগস্টের শেষ নাগাদ ৯৬ শতাংশ কমে গেছে। জ্বালানি তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত কাতার মাত্র ১৮টি এলএনজি কার্গো রপ্তানি করতে পেরেছে। গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৫০৯।

শীতকালের আগমন এবং ইউরোপের গ্যাস চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের পক্ষে এলএনজি আমদানি আরও কঠিন হয়ে পড়বে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। ফলে ইউরোপের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে মধ্যপ্রাচ্যের এলএনজির ওপর তাদের নির্ভরতা বেড়েছে। কিন্তু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এলএনজির সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইউরোপ ও এশিয়ার ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে।

ইতালির জ্বালানিবাজার প্ল্যাটফর্মে দেওয়া বার্তায় জানানো হয়েছে, কাতার এনার্জি আরও ছয়টি এলএনজি কার্গো সরবরাহ বাতিল করেছে। ফলে ইতালির এডিসন কোম্পানিকে এ পর্যন্ত না পাওয়া এলএনজি কার্গোর মোট সংখ্যা বেড়ে ৩৫টি হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানায় গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা রয়েছে।

"শীতকাল চলে আসছে। কিছুদিনের মধ্যে ইউরোপে গ্যাসের ব্যবহার বেড়ে যাবে। এ সময় ইউরোপের গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইউরোপ রাশিয়া থেকে গ্যাস নেওয়া কমিয়ে দিয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এলএনজির ওপর তাদের নির্ভরতা বেড়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, ইউরোপ, এশিয়া, কাতার, ইতালি, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাতার এনার্জি, ইতালির এডিসন, আইসিস, রয়টার্স
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৬ শতাংশ, ১৮টি এলএনজি কার্গো, ৩৫টি এলএনজি কার্গো

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖