📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলডিসি উত্তরণে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা: সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে নতুন আইনি কাঠামো গড়ার আহ্বান

এলডিসি উত্তরণে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা: সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে নতুন আইনি কাঠামো গড়ার আহ্বান

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এলডিসি শ্রেণি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি উঠেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী ও ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদের নেতৃত্বে আলোচনা সভায় এসএমই খাতের উন্নয়ন ও আইনি সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়

বাংলাদেশের এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) শ্রেণি থেকে উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব অধিকার (আইপিআর) ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি উঠেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী সোমবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাতের গুরুত্ব বাড়ছে এবং এই খাতের জন্য সরকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। এসএমই খাতের জন্য সরকারি বরাদ্দ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন তিনি।
  • 📌 ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ প্রস্তাব করেন, মেধাস্বত্ব কার্যকরভাবে প্রয়োগের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে আইপি ট্রাইব্যুনাল চালু করা দরকার।
  • 📌 বক্তারা বলেন, মেধাস্বত্ব আইনে কাঠামোগত দীর্ঘসূত্রতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। এসএমই উদ্যোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।
  • 📌 ইআরডি সচিব বলেন, গবেষণা বরাদ্দের কার্যকর ব্যবহার ও বেসরকারি খাতের সাথে সমন্বয় বাড়ানোর প্রয়োজন।
  • 📌 পেটেন্ট অধিদপ্তর মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, প্রতিটি শিল্প খাতকে নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়।

📰 বিস্তারিত

‘শিল্পের রূপান্তর-পরবর্তী এলডিসি যুগ: মেধাস্বত্ব অধিকার বিষয়ে চ্যালেঞ্জ ও কৌশল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, দেশে উৎপাদিত পণ্যের স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব পণ্যের নকশা ও মান উন্নত করা গেলে রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়বে। তিনি এসএমই খাতকে অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, এই খাতের প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, গবেষণার জন্য বরাদ্দ করা অর্থ পুরোপুরি ব্যবহার করা হয় না। আবার এই খাতে বরাদ্দ অপর্যাপ্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি সমন্বয়ের ঘাটতি দূর করার দাবি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার এসএমই খাতের জন্য বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে। বরাদ্দ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মেধাস্বত্বের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। তিনি বলেন, এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জন্য শক্তিশালী মেধাস্বত্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ওষুধ, তৈরি পোশাকসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে উদ্ভাবন, ব্র্যান্ডিং, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মূল্য সংযোজনের দিকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। তিনি বিদ্যমান মেধাস্বত্ব আইনে কাঠামোগত দীর্ঘসূত্রতা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের ঘাটতি, নীতিমালার অভাব, সক্ষমতার সীমিততা এবং বেসরকারি খাতে সচেতনতার ঘাটতি চিহ্নিত করেন।

তাসকিন আহমেদ একটি আধুনিক ও কার্যকর মেধাস্বত্ব কার্যালয় প্রতিষ্ঠা, দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে আইপি ট্রাইব্যুনাল চালু, ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু, প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগ এবং বিশেষ করে এসএমই উদ্যোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন।

"কোনো কোনো ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য বরাদ্দ করা অর্থ পুরোপুরি ব্যবহার করা হচ্ছে না। আবার এ খাতে বরাদ্দ অপর্যাপ্ত বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে, যা দূর করা প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী (ইআরডি সচিব), তাসকিন আহমেদ (ডিসিসিআই সভাপতি), জাহাঙ্গীর হোসেন (পেটেন্ট অধিদপ্তর মহাপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (ঢাকা ও চট্টগ্রামে আইপি ট্রাইব্যুনাল চালু করার প্রস্তাব), ১ (এসএমই খাতের জন্য বিশেষ তহবিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖