📌 ইনভেস্ট বাংলাদেশ ১৫ অক্টোবর থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আনার জন্য সহায়কদের ১.২৫% প্রণোদনা প্রদানের ঘোষণা দেয়। গত ছয় মাসে ১৩০ কোটি ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগের প্রস্তাব পাওয়ার পাশাপাশি বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর কাজ এগিয়ে চলেছে
বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ ১৫ অক্টোবর থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আনার জন্য সহায়ক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগের ১.২৫ শতাংশ প্রণোদনা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশি-বিদেশি মধ্যস্থতাকারীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১.২৫% প্রণোদনা: বিদেশি বিনিয়োগ আনার জন্য সহায়কদের ১৫ অক্টোবর থেকে ১.২৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে।
- 📌 ১৩০ কোটি ডলার সম্ভাব্য বিনিয়োগ: গত ছয় মাসে বিভিন্ন পর্যায়ে ১৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগের প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৪০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছেছে।
- 📌 বড় অবকাঠামো প্রকল্প: লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল (৫৫ কোটি ডলার), চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (১৩০ কোটি ডলার), এবং মোংলা বন্দরের পাশে অর্থনৈতিক অঞ্চল (৬৫ কোটি ডলার) প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে।
- 📌 বিনিয়োগের খাতভিত্তিক বণ্টন: নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০ কোটি ডলার করে, স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০ কোটি ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে।
- 📌 বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন: ইনভেস্ট বাংলাদেশের ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির আওতায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ইনভেস্ট বাংলাদেশের নতুন পরিকল্পনা দেশে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) খরাকে অবসান আনতে কাজ করছে। গত ছয় মাসে বিভিন্ন পর্যায়ে ১৩০ কোটি ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগ্রহ প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকারি তৎপরতা জোরদারের পাশাপাশি এই কাজে দেশি-বিদেশি মধ্যস্থতাকারী ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকেও সরকার পাশে রাখতে চায়। এ লক্ষ্যে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে সহায়তা করা যোগ্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এদের ইতিবাচক তৎপরতায় কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে যে পরিমাণ ইক্যুইটি বা মূলধন আনবেন, তার ওপর ভিত্তি করে মধ্যস্থতাকারীকে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ইনভেস্ট বাংলাদেশের প্রকাশিত ১৮০ দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালী করা এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরিতে নেওয়া ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির আওতায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি হয়েছে। কিছু উদ্যোগ ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর কাজ এগোলেও সেগুলো বাস্তবায়নে আরও সময় প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সম্ভাব্য বিনিয়োগের মধ্যে চীন থেকে ৬০ কোটি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০ কোটি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ কোটি এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। খাতভিত্তিকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০ কোটি ডলার করে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০ কোটি ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ রয়েছে।
"বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালী করা এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরিতে নেওয়া ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির আওতায় ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম, মোংলা বন্দর, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.২৫ শতাংশ প্রণোদনা, ১৩০ কোটি ডলার সম্ভাব্য বিনিয়োগ, ৪০ কোটি ডলার সিদ্ধান্তের পর্যায়ে, ৫৫ কোটি ডলার লালদিয়া টার্মিনাল, ৬৫ কোটি ডলার মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!