📌 উত্তরার হায়াত প্লেসের জিং রেস্তোরাঁতে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক কারি উৎসব। ১৫ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের কারির বৈচিত্র্য উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলবে এই স্বাদের উৎসব
উত্তরার হায়াত প্লেসের জিং রেস্তোরাঁতে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক কারি উৎসব, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারির স্বাদের বৈচিত্র্য উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা। এই বৈশ্বিক খাদ্য উৎসবের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চলের কারির ঐতিহ্য, রান্নার কৌশল ও স্বাদের গভীরতা তুলে ধরা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে উত্তরার হায়াত প্লেসের জিং রেস্তোরাঁতে।
- 📌 উৎসবে ভারতের বালতি চিকেন, চিকেন ভিন্দালু ও পনির বাটার মাসালা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের বাঁশ দিয়ে হাঁস, পাকিস্তানের বিফ পেশোয়ারি, শ্রীলঙ্কার ব্ল্যাক চিকেন কারি এবং মালয়েশিয়ার চিকেন রেনড্যাং পর্যন্ত ১৫টি দেশের কারির বৈচিত্র্য উপস্থাপিত হয়েছে।
- 📌 প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলবে এই স্বাদের উৎসব।
- 📌 প্রতি ব্যক্তির জন্য মূল্য ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা নেট। অফার হিসেবে একটি কিনলে দুটি এবং একটি কিনলে তিনটি বিনামূল্যে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
- 📌 বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে সুইমিং পুল ব্যবহারের সুবিধাও রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কারি শুধু ঝাল-মসলা নয়, এটি একটি সংস্কৃতির প্রতীক। এই উৎসবের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চলের কারির ঐতিহ্য ও রান্নার কৌশল তুলে ধরা হয়েছে। উৎসবে ভারতীয় উপমহাদেশের পেঁয়াজ-টমেটোর ঘন মসলা থেকে শুরু করে মালয়েশিয়ার নারকেলের দুধ এবং সিঙ্গাপুরের চিলি ক্র্যাব কারি পর্যন্ত স্বাদের বৈচিত্র্য উপস্থাপিত হয়েছে।
উৎসবে উপস্থাপিত খাবারের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানি স্টাইলের চিকেন স্যুপ (জায়ফল, জয়ত্রী ও কালো এলাচের সুগন্ধে), ভেজিটেবল কারি স্যুপ, কাশ্মীরি চিকেন কাবাব, মুঘলাই চিকেন শিক কাবাব এবং চিকেন মাদ্রাজ রোলস। প্রতিটি পদে মসলার ব্যবহার ও পরিবেশনা ভিন্ন, যা খাবারের স্বাদকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।
স্বাদের উপভোগের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে বাসমতি চালের ভাত, বসনিয়া রোটি এবং কালাই রোটি। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাদেশের বাঁশ দিয়ে হাঁসের সঙ্গে বসনিয়া রুটির সমন্বয়, যেখানে রুটির হালকা মিষ্টি স্বাদ হাঁসের মসলাদার কারির ঝালের সঙ্গে ভারসাম্য তৈরি করেছে।
মিষ্টিমুখের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে দেশি ও আন্তর্জাতিক ধাঁচের নানা মিষ্টান্ন, যেমন মতিচুরের লাড্ডু, গোলাপজামুন, ফিরনি, ক্ষীর ও রসগোল্লা পাশাপাশি কেক, পেস্ট্রি, মুস ও ব্লুবেরি ইয়োগার্ট।
"কারির ইতিহাস ও বৈচিত্র্য উপভোগের জন্য এই উৎসব একটি অনন্য অভিজ্ঞতা। প্রতিটি পদে মসলার ব্যবহার ও স্বাদের পার্থক্য উপভোগের জন্য ভাত বা রুটির সঙ্গে ধীরে ধীরে খেলে আরও ভালোভাবে উপভোগ করা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জিং রেস্তোরাঁ, হায়াত প্লেস ঢাকা উত্তরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: (উৎসবের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী রান্নাবিদদের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে দর্শকদের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিট, প্রতি ব্যক্তির জন্য ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা নেট মূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!