📌 শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকারি প্রকল্পে একই ধরনের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি বা ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে। এডিপি বাস্তবায়নে অপচয় কমাতে প্রযুক্তিনির্ভর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া প্রবর্তনের দাবি করেছেন তিনি
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে একই ধরনের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি বা ওভারল্যাপিং বন্ধের তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন প্রকল্প নেওয়ার আগে বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর সঙ্গে এর মিল যাচাই করা দরকার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিল্পমন্ত্রী মুক্তাদির বলেছেন, সরকারি প্রকল্পে ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে হবে — এডিপি বাস্তবায়নে অপচয় কমাবে
- 📌 প্রযুক্তিনির্ভর যাচাই প্রবর্তনের দাবি — নতুন প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমের মিল যাচাই করা দরকার
- 📌 বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য — অন্যথায় অন্য দেশ বাজার দখল করবে
- 📌 উৎপাদনশীলতা শুধু শিল্পকারখানায় নয় — দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তি ব্যবহারেও বৃদ্ধি পাচ্ছে
- 📌 বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি: চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি একটি নীতিগত বিষয়, আর এনএসডি মূলত একটি নিয়ন্ত্রক বিষয়। দুটিকে একইভাবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে একই ধরনের কার্যক্রম থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন ব্যাহত হতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব পাওয়ার পর সফটওয়্যারের মাধ্যমে একই উদ্দেশ্যে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থার প্রকল্প চলমান আছে কি না তা শনাক্ত করা সম্ভব হলে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়বে এবং অপচয় কমবে। তিনি উল্লেখ করেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সব দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পণ্য প্রতিযোগিতামূলকভাবে উৎপাদন করা না গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্য দেশ সেই বাজার দখল করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর সংযোগ তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মধ্যে দেশের শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, উৎপাদনশীলতা শুধু শিল্পকারখানায় বেশি পণ্য উৎপাদনের বিষয় নয়; এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে। কম শ্রম ও সম্পদ ব্যবহার করে অধিক পরিমাণে উন্নতমানের পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করাই উৎপাদনশীলতার মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতও দেখিয়েছে, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত হলেও প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব।
"উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পথে শুধু দক্ষতার ঘাটতিই নয়, নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্পের অভাবও বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের শিল্প ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিল্প মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ অক্টোবর (আলোচনা তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!