📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে ভারতের কী সফলতা ও কী চ্যালেঞ্জ?

চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে ভারতের কী সফলতা ও কী চ্যালেঞ্জ?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারত চীনা খেলনা আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ করে এবং স্থানীয় উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিকে এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে ১০ কোটি ডলারে নিয়ে এসেছে। কিন্তু শিল্পপণ্য আমদানিতে চীনের ওপর ভারতের ৩০ শতাংশেরও বেশি নির্ভরতা থাকায় বাণিজ্য ঘাটতি ১১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনা সরবরাহব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ভারতের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে

ভারত চীনা আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে কীভাবে সফলতা পেয়েছে এবং কীভাবে এখনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি? বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, খেলনা খাতে ভারতের প্রচেষ্টা সফল হলেও শিল্পপণ্য আমদানিতে চীনের ওপর নির্ভরতা এখনও অসমান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারত খেলনা আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ করে আমদানিকে এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে ১০ কোটি ডলারে নিয়ে এসেছে, কিন্তু চীনা শিল্পপণ্য আমদানিতে ৩০ শতাংশেরও বেশি নির্ভরতা রয়েছে।
  • 📌 ২০২০ সাল থেকে ভারত-চীন বাণিজ্য ঘাটতি ৪৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ভারতের শিল্প অর্থনীতিতে চীনের প্রভাবকে আরও জোরদার করেছে।
  • 📌 বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনা সরবরাহব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ভারতের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, কারণ ভারতের শিল্পপণ্য উৎপাদনও চীনের ওপর নির্ভরশীল।
  • 📌 ব্রিকস সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি সহজ নয়।

📰 বিস্তারিত

ভারত চীনা আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে খেলনা খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। ছয় বছর আগে ভারত খেলনা আমদানিতে শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করে, পরে তা আরও বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ করা হয়। এর ফলে খেলনা আমদানির পরিমাণ ২০২০ সালের ৩০ কোটি ডলার থেকে ২০২৬ সালে এক-তৃতীয়াংশ কমে ১০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে খেলনা রপ্তানি ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে এই সাফল্য শিল্পপণ্য খাতে প্রযোজ্য নয়।

চীনের ওপর ভারতের নির্ভরতা এখনও অসম। ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর ভারত চীনের ওপর শুল্ক আরোপ ও অ্যাপ নিষিদ্ধ করে, কিন্তু বাণিজ্য ঘাটতি বাড়তে থাকে। ২০২০ সালে এই ঘাটতি ছিল ৪৪ বিলিয়ন ডলার, যা বর্তমানে ১১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন এখন ভারতের শিল্পপণ্যের আমদানির ৩০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ করে।

দিল্লিভিত্তিক গ্লোবাল ট্রেড অ্যান্ড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের (জিটিআরআই) অজয় শ্রীবাস্তব বলেছেন, ‘চীন এখন ভারতের শিল্পপণ্যের আমদানির ৩০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ করে। ১০০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে ভারত চীনের ওপর নির্ভরশীল। আর এই ভারসাম্যহীনতা আরও খারাপ হচ্ছে।’

"রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ সম্পর্ক যখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল, তখনও চীনের ওপর ভারতের অর্থনৈতিক নির্ভরতা বাড়তেই থেকেছে।"

ওয়ার্ল্ডভিত্তিক এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের ফেলো কেভিন জংঝে লি বলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, চীনা সরবরাহব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ভারতের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কারণ ভারতের শিল্পপণ্য উৎপাদনও চীনের ওপর নির্ভরশীল। স্মার্টফোন ও সৌর সরঞ্জামের মতো তৈরি পণ্যের আমদানির ওপর ভারত তার নির্ভরতা কমিয়েছে, কিন্তু উৎপাদন এখনো মূলত অ্যাসেম্বলিনিরভর এবং চীনের যন্ত্রাংশের ওপর নির্ভরশীল।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত, চীন, দিল্লি, ওয়াশিংটন, বেইজিং
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কেভিন জংঝে লি, অজয় শ্রীবাস্তব, সৌম্য ভৌমিক, নরেন্দ্র মোদি, সি চিনপিং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ (শুল্ক), ১০ কোটি ডলার (আমদানি), ২০ কোটি ডলার (রপ্তানি), ১১২ বিলিয়ন ডলার (বাণিজ্য ঘাটতি), ৩০ শতাংশ (শিল্পপণ্য আমদানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖