📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টের রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ: গ্রামীণফোনের শেয়ার মালিকানা নেই তাদের

হাইকোর্টের রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ: গ্রামীণফোনের শেয়ার মালিকানা নেই তাদের

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টের রায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে। আদালত বলেছে, গ্রামীণ কল্যাণ সরাসরি গ্রামীণফোনের শেয়ারহোল্ডার নয়, তাই তাদের অর্জিত আয়কে লভ্যাংশ হিসেবে গণ্য করা যাবে না

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রামীণ কল্যাণ সরাসরি গ্রামীণফোনের শেয়ারহোল্ডার নয়, তাই তাদের অর্জিত আয়কে ‘লভ্যাংশ আয়’ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। সরকারের কাছে অবিলম্বে কর পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট, গ্রামীণ কল্যাণকে।
  • 📌 গ্রামীণফোনের শেয়ারহোল্ডার নন গ্রামীণ কল্যাণ, তাই তাদের আয়কে লভ্যাংশ হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
  • 📌 ২০১১ সালের ১৩ এপ্রিল গ্রামীণ কল্যাণ গ্রামীণ টেলিকমের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে ৫৩ কোটি ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৯৪১ টাকা বিনিয়োগ করে।
  • 📌 ৪২.৬৫ শতাংশ আয় পাওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু আদালত বলেছে, এটি ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ হিসেবে কর দিতে হবে।
  • 📌 দুটি রিট পিটিশন খারিজ এবং পূর্বের স্থগিতাদেশ বাতিল করে হাইকোর্ট।
  • 📌 বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া ও রেজাউল করিমের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ রায় প্রদান করেন।

📰 বিস্তারিত

হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা দুটি রিট পিটিশন (রিট নং ১৪৩৬৪/২০১৭ ও ১৭৭২৭/২০১৭) খারিজ করা হয়েছে। রায়ের ৩২ পৃষ্ঠার একটি এবং ১৫ পৃষ্ঠার অন্য একটি মামলার নথি প্রকাশ করা হয়েছে। গ্রামীণ কল্যাণের সাথে গ্রামীণ টেলিকমের চুক্তি অনুযায়ী, গ্রামীণ কল্যাণ ২০১১ সালে গ্রামীণফোনের শেয়ার কেনার উদ্দেশ্যে অর্থ বিনিয়োগ করে। তবে আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, গ্রামীণ কল্যাণ সরাসরি শেয়ারহোল্ডার নয়, তাই তাদের অর্জিত আয়কে ‘লভ্যাংশ আয়’ হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

গ্রামীণ কল্যাণ ২০১২-২০১৩ থেকে ২০১৬-২০১৭ সালের মধ্যে তাদের রিটার্নে এই আয়কে ‘ডিভিডেন্ড ইনকাম’ হিসেবে প্রদর্শন করে ২০ শতাংশ হারে কর পরিশোধ করে। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, এই আয়কে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং সরকারের কাছে কর পরিশোধ করতে হবে।

চুক্তির ২ নম্বর শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রামীণ কল্যাণ কখনোই গ্রামীণফোনের শেয়ারের মালিকানা দাবি করতে পারবে না। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী ‘ডিভিডেন্ড’ সুবিধা পেতে হলে সরাসরি শেয়ারহোল্ডার হতে হবে। গ্রামীণ কল্যাণের এই অবস্থান আইনত বৈধ নয়।

"গ্রামীণ কল্যাণের অর্থ সহায়তার বিনিময়ে গ্রামীণ টেলিকমের কাছে কখনোই গ্রামীণফোনের শেয়ারের মালিকানা দাবি করতে পারবে না। এই আয়কে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং সরকারের কাছে কর পরিশোধ করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, হাইকোর্ট বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া, বিচারপতি রেজাউল করিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬৬ কোটি টাকা (কর), ৫৩ কোটি ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৯৪১ টাকা (বিনিয়োগ), ৪২.৬৫ শতাংশ (আয়ের অংশ), ৩২ ও ১৫ পৃষ্ঠা (রায়ের দৈর্ঘ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖