📌 বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, এলপিজি সরবরাহে কারসাজি বা ধর্মঘটের হুমকি দিলে সরকার আইনি ব্যবস্থা নেবে। তারা জানান, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে
ঢাকায় বাজারে এলপিজি সরবরাহের কারসাজি ও ধর্মঘটের হুমকির মুখে সরকারের কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধান মন্ত্রণালয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, এলপিজি একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। এর সরবরাহে কারসাজি বা জনগণকে জিম্মি করার চেষ্টা করলে সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ অক্টোবর সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রীরা জানান, এলপিজি সরবরাহে কারসাজি বা ধর্মঘটের হুমকি দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশে এলপিজির মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে
- 📌 ২০ অক্টোবর আবারো সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হবে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য
- 📌 বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী কারসাজি বা জনগণকে জিম্মি করার চেষ্টা করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, জ্বালানি খাত বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল নয়। এ পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে এলপিজির সরবরাহ ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সরকার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছে। তিনি জানান, এলপিজি সরবরাহের সঙ্গে বেসরকারি খাত সরাসরি জড়িত। তাই বাজারের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সরকার অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা করছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাতে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সরকার এলপিজির মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বাজারে মূল্য স্থিতিশীল থাকে এবং ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিক সমস্যার মুখে না পড়েন।’
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশে এলপিজি সরবরাহ ও বিপণনের সঙ্গে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো জড়িত। সরকার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত ফর্মুলা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করে।’ তিনি আরও জানান, এলপিজির ডিলার ও বিক্রেতারা ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছেন। তবে আলোচনার ভিত্তিতে নেওয়া কৌশলগুলো প্রকাশ করার সময় এখনো আসেনি।
"এলপিজি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হওয়ায় এটির সরবরাহ নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি করা, জনগণকে জিম্মি করা কিংবা ধর্মঘটের মতো কর্মসূচি দিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইকবাল হাসান মাহমুদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী), খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ অক্টোবর, ২০ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!