📌 বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, শুল্ক পরিশোধের পরও মাল্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি করা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং ভৌগোলিক পরিকল্পনা করে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করবে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির রমজান উপলক্ষে মাল্টা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, শুল্ক পরিশোধের পরও মাল্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয় এবং কোনো ব্যবসায়ী বা আমদানিকারক ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়িয়ে দিলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির বলেছেন, মাল্টা ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি করা গ্রহণযোগ্য নয় এবং সরকার কৃত্রিম দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে
- 📌 রমজান উপলক্ষে চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যথেষ্ট মজুত রয়েছে দেশে
- 📌 সরকার ভৌগোলিক পরিকল্পনা করে খাদ্য ও সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যাচ্ছে
- 📌 চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে সভায় এই ঘোষণা করা হয়
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে একটি সভায় বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, কোনো অঞ্চলে কোনো সময়ে কোনো ফসল উৎপাদন হবে তা নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে খাদ্য ও সবজি উৎপাদন করা গেলে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, রমজান উপলক্ষে চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের যথেষ্ট মজুত রয়েছে দেশে। কোনো ধরনের সরবরাহ ঘাটতি নেই এবং পাইপলাইনেও আমদানির পণ্য চালান রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আসন্ন রমজান উপলক্ষে কোনো ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা জোটবদ্ধভাবে যদি দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, তাহলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পবিত্র রমজান বা অন্য কোনো উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না।
সভায় চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক সভাপতিত্ব করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আলী আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম, বিপিএএমইএর প্রথম সহসভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী, কমিশনার অব কাস্টমস মুহা. মাহবুবুর রহমান, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম এ ছালাম, সাবেক পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব এবং রেজাউল করিম প্রমুখ।
"কোনো অঞ্চলে কোনো সময়ে কোন ফসল উৎপাদন হবে, তা নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে খাদ্য ও সবজি উৎপাদন করা গেলে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, আগ্রাবাদ, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০-৫০০ টাকা (মাল্টা দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!