📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪১০ শতাংশ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ পরিশোধের কারণে নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। রাজস্ব আদায়ের অপূর্ণতা ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে ঋণ চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৩ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা পরিশোধ করে, ফলে নিট ঋণ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই সরকারের ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ পূরণ হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই-আগস্টে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেয় ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা ঋণ, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ৩ হাজার ২৫৬ কোটি টাকার তুলনায় ৪১০ শতাংশ বৃদ্ধি
- 📌 কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৩ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা পরিশোধ করে সরকার, ফলে নিট ঋণ পরিমাণ ১২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা
- 📌 অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই সরকারের ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ পূরণ হয়েছে
- 📌 বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছে, ফলে সরকারের ঋণ নেওয়ার চাপ কমে আসেনি
- 📌 সরকারের ঋণের সুদের হার কমে গেছে, যা ব্যাংকগুলোর আয় কমিয়ে দিয়েছে
- 📌 গত ৩০ আগস্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিতে সরকারের ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮ হাজার ২৫ কোটি টাকা
- 📌 কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণের স্থিতি কমে হয়েছে ৯০ হাজার ৩২২ কোটি টাকা
- 📌 ভ্যাট আদায় আগের বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে, নতুন জমা দেওয়ার নিয়মের কারণে
📰 বিস্তারিত
ব্যাংক খাতের একজন ব্যক্তি জানান, সরকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছেনা। এর ফলে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। বেসরকারি খাতের চাপের পাশাপাশি গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটও সরকারের অর্থনৈতিক অবস্থাকে আরও চাপিয়ে দিয়েছে। এ কারণে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে মোট ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে প্রথম দুই মাসেই এই লক্ষ্যমাত্রার ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ ঋণ গ্রহণের কারণে ব্যাংক কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন। তারা জানান, বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, ফলে সরকারের ঋণ নেওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোর আয় কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সরকারের ঋণের সুদের হার আমানতের সুদহারের নিচে নেমে এসেছে।
এদিকে, ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসছে। গত অর্থবছরে প্রতি মাসে ভ্যাট জমা দেওয়ার নিয়ম ছিল, কিন্তু নতুন নিয়মে প্রতি তিন মাস পর জমা দেওয়ার কারণে ভ্যাট আদায় কমে গেছে। সরকার এখন আবার মাসভিত্তিক ভ্যাট জমার নিয়ম চালু করার পরিকল্পনা করছে।
"সরকার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। তাই পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া বেড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (ব্যাংক খাত, বাংলাদেশ ব্যাংক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা, কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা (ঋণ), ৩ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা (পরিশোধ), ১২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা (নিট ঋণ), ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ (লক্ষ্যমাত্রা পূরণ), ৫ শতাংশ (বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!