📌 মন্ত্রিসভা বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ অনুমোদন করে। ৩০০০-৪০০০ মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ ও স্থাপনার মালিকদের বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হবে
মন্ত্রিসভা বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ অনুমোদন করে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির নির্ভরশীলতা হ্রাস এবং বিদ্যুৎ খাতে হাজার হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি কমানোর লক্ষ্যে সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ অনুমোদন করা হয়েছে
- 📌 ৩০০০ থেকে ৪০০০ মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 বেসরকারি বিনিয়োগ ও স্থাপনার মালিকদের জন্য ওপেক্স ও ক্যাপেক্স মডেলে সুযোগ দেওয়া হয়েছে
- 📌 আইনি জটিলতা দূর করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের ত্বরান্বিত হবে
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগের ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণীত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত করা হবে। সন্ধ্যায় তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের জানান যে, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ও বেসরকারি পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে সরকার। এই কৌশলপত্রের আওতায় আগামী গ্রীষ্মের পূর্বেই ৩০০০ থেকে ৪০০০ মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ ও স্থাপনার মালিকদের উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে সরকার বিভিন্ন ধরনের বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। বর্তমানে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানির সুবিশাল স্থাপনার ছাদে বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে অর্থাৎ ‘অপারেটিং এক্সপেন্ডিচার’ (ওপেক্স) মডেলে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা বলবৎ রয়েছে। নিজস্ব আয় থাকা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ‘ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার’ (ক্যাপেক্স) মডেলে প্যানেল বসানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।
পূর্বে প্রবর্তিত ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬’, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬’ এবং ‘বিদ্যুৎ আইন ২০১৮’-এ সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে এসব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি বিধিবিধানের ঘাটতি ছিল। বিশেষ করে সার্ভিস প্রোভাইডারের থেকে গ্রাহক পর্যায়ে দীর্ঘ মেয়াদে (১৫ বছর) বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ, ছাদে প্যানেল স্থাপনের বিনিময়ে ভবনের মালিক ও সার্ভিস প্রোভাইডারের মধ্যে বিদ্যুতের শেয়ার বা ভাড়া সমন্বয় এবং প্যানেল মেরামত ও সুরক্ষায় কার কী ভূমিকা থাকবে — এসব আইনি জটিলতা দূর করে এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।
"বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ও বেসরকারি পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন গতি আসবে বলে আশা করছে সরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সচিবালয়, ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫তম বৈঠক, ৩০০০-৪০০০ মেগাওয়াট, ১৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!