📌 মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত কমে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের উপরে উঠেছে। ইরান ও হুতি বিদ্রোহীরা আক্রমণে সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে বাজার চাপ পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত হ্রাসের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০.৩৮ ডলারে এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.৪ শতাংশ বেড়ে ৯৯.১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত কমে যাওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ছাড়িয়ে বেড়েছে
- 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৫ শতাংশ বেড়ে ১১০.৩৮ ডলারে, ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৯৯.১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে
- 📌 গত দুই সপ্তাহে অন্তত ১৮টি জাহাজে হামলা ও ওমান উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্যবস্তু
- 📌 সৌদি আরামকোর ইয়ানবু কেন্দ্র ও শায়বাহ তেলক্ষেত্রসহ রিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীরা আক্রমণ চালায়
- 📌 ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর ওপর হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে পৌঁছেছে
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের এই বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা। বাজার গবেষণা সংস্থা ডিবিএস-এর জ্বালানি গবেষণা প্রধান সুভ্র সরকার জানিয়েছেন, কাতার বা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির আশা অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত হ্রাস পাওয়ার খবরও বাজারকে চাপ দিচ্ছে। আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত কমে যাওয়ায় এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
ইরানের তেহরানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার জন্য তাদের শর্ত পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা করা হবে না। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা কেপলারের তথ্যমতে, গত দুই সপ্তাহে অন্তত ১৮টি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং ইরান কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী ছাড়িয়ে ওমান উপসাগরেও তেলবাহী ট্যাংকারগুলিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।
সৌদি আরবে হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরামকোর ইয়ানবু কেন্দ্র, শায়বাহ তেলক্ষেত্রসহ রিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দরে আক্রমণ চালিয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর ওপর হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে মার্কিন জ্বালানি বিভাগ আন্তর্জাতিক রিফাইনারিগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।
"কাতার বা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির আশা অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইরান, ওমান উপসাগর, ইয়েমেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুভ্র সরকার (ডিবিএস জ্বালানি গবেষণা প্রধান), পাকিস্তানি সেনাপ্রধান, ইরান, হুতি বিদ্রোহীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১০.৩৮ ডলার (ব্রেন্ট ক্রুড), ৯৯.১৮ ডলার (ডব্লিউটিআই), ১৮টি জাহাজ, ৭৩ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!