📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্ববাজারে তেলের দাম নেমে ১০১ ডলারে: সৌদি আরবের সরবরাহের সম্ভাবনা ও ট্রাম্পের হুমকি

বিশ্ববাজারে তেলের দাম নেমে ১০১ ডলারে: সৌদি আরবের সরবরাহের সম্ভাবনা ও ট্রাম্পের হুমকি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ববাজারে তেলের দাম সোমবার ১০১.৬৮ ডলারে নেমে গেছে। সৌদি আরবের তেল সরবরাহের সম্ভাবনা ও ট্রাম্পের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের কারণে দাম কমেছে। তবে চাহিদা কমে যাওয়ায় তেলের দাম অতটা বাড়েনি

বিশ্ববাজারে তেলের দাম সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের নভেম্বর মাসের ফিউচার দর ব্যারেলপ্রতি ১০১.৬৮ ডলারে নেমে গেছে, যা শনিবার ইরান-সমর্থিত হুতিদের সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পরও সৌদি আরবের তেল সরবরাহের সম্ভাবনার কারণে। বিনিয়োগকারীরা এই সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী হয়ে পড়েছেন, ফলে দাম কমে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের নভেম্বর মাসের ফিউচার দর ব্যারেলপ্রতি ১০১.৬৮ ডলারে নেমে গেছে — ২.১১ শতাংশ কমে গেছে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের ফিউচার দর ব্যারেলপ্রতি ৯৮.১৯ ডলারে নেমেছে — ২.১ শতাংশ কমে গেছে।
  • 📌 জেপি মরগ্যানের বিশ্লেষকরা বলেছেন, সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহের পরিমাণ ভালো। গত ১০ দিনে দৈনিক গড়ে ১ কোটি ৭১ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হয়েছে, যা ২০২৫ সালের গড়ের তুলনায় ৬১ লাখ ব্যারেল কম।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বিষয়ে তিনি শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার প্রশ্ন হলো, কখন। আর যদি কাজটা করতেই হয়, তাহলে পুরো দেশটা উড়িয়ে দেব কি না। তাদের ঠিকমতো আচরণ করতে হবে।’
  • 📌 স্কাই লিংকস ক্যাপিটাল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড্যানিয়েল তাকিয়েদ্দিন বলেছেন, তেলের দাম রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়া এবং যুদ্ধবিরতি সম্পর্কিত কূটনৈতিক অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।
  • 📌 ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের কারণে ৯ সেপ্টেম্বর তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর থেকে দাম ওঠানামা করছে, তবে ১০০ ডলারের নিচে নামেনি।
  • 📌 গত ১৫ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ১০৯ ডলারে উঠে, এক দিনের মধ্যে ১৬ সেপ্টেম্বর ১০৪ ডলারে নেমে আসে।
  • 📌 ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ১ মার্চ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৭২ ডলার, যা ৩০ এপ্রিল সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে উঠে। যুদ্ধবিরতি শুরু হলে দাম কমে ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে, কিন্তু ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ভেঙে দিলে আবার বাড়তে শুরু করে।
  • 📌 তেলের চাহিদা কমে যাওয়ায় দাম অতটা বাড়েনি। গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রিস্টাডের হিসাবে, পেট্রোকেমিক্যাল ও পরিবহন জ্বালানিতে তেলের ব্যবহার কমে দৈনিক ৩৫ লাখ ব্যারেল। চাহিদা কমে গেছে, বিশেষ করে চীনে পরিবহন খাতে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে।

📰 বিস্তারিত

বিশ্ববাজারে তেলের দামের এই হ্রাসের পিছনে প্রধান কারণ হিসেবে সৌদি আরবের তেল সরবরাহের সম্ভাবনা এবং ট্রাম্পের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে সম্ভাব্য সিদ্ধান্তকে উল্লেখ করা হয়েছে। জেপি মরগ্যানের বিশ্লেষকরা বলেছেন, সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহের পরিমাণ ভালো। তবে গত ১০ দিনে দৈনিক গড়ে ১ কোটি ৭১ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হয়েছে, যা ২০২৫ সালের গড়ের তুলনায় ৬১ লাখ ব্যারেল কম।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বিষয়ে তিনি শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার প্রশ্ন হলো, কখন। আর যদি কাজটা করতেই হয়, তাহলে পুরো দেশটা উড়িয়ে দেব কি না। তাদের ঠিকমতো আচরণ করতে হবে।’ এই হুমকির কারণে বাজারে তেলের দামের উপর নতুন করে চাপ পড়তে পারে।

স্কাই লিংকস ক্যাপিটাল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড্যানিয়েল তাকিয়েদ্দিন বলেছেন, তেলের দাম রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়া এবং যুদ্ধবিরতি সম্পর্কিত কূটনৈতিক অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে। তিনি আরও বলেছেন, পরিস্থিতির অবনতি হলে বা জাহাজ চলাচলে নতুন করে ঝামেলা হলে বাজারে তেলের সরবরাহ আরও কমবে। এতে তেলের দাম আবার বাড়তে পারে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের কারণে ৯ সেপ্টেম্বর তেলের দাম আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এর পর থেকে দাম ওঠানামা করছে, তবে ১০০ ডলারের নিচে নামেনি এখনো। এর মধ্যে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ১০৯ ডলারে উঠে। ১৬ সেপ্টেম্বর এক দিনের মধ্যে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০৪ ডলারে নেমে আসে। এরপর সোমবার তেলের দাম ১০১ ডলারে নেমে গেল।

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ১ মার্চ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৭২ ডলার। ৩০ এপ্রিল তেলের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ ডলার পর্যন্ত ওঠে। যুদ্ধবিরতি শুরু হলে তেলের দাম কমে ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে। তবে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ভেঙে দিলে তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করে। তবে এই অনিশ্চয়তার মধ্যে তেলের দাম যতটা বাড়তে পারত, ততটা বাড়েনি।

"আমার প্রশ্ন হলো, কখন। আর যদি কাজটা করতেই হয়, তাহলে পুরো দেশটা উড়িয়ে দেব কি না। তাদের ঠিকমতো আচরণ করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্ববাজার (ব্রেন্ট ক্রুড, ডব্লিউটিআই), সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ড্যানিয়েল তাকিয়েদ্দিন, জেপি মরগ্যানের বিশ্লেষকরা, বিনিয়োগকারীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০১.৬৮ ডলার (ব্রেন্ট ক্রুডের দাম), ৯৮.১৯ ডলার (ডব্লিউটিআই), ২.১১ শতাংশ (হ্রাস), ১০৯ ডলার (সর্বোচ্চ দাম), ৬১ লাখ ব্যারেল (সরবরাহ কমে গেছে), ৩৫ লাখ ব্যারেল (তেলের চাহিদা কমেছে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖