📌 বিশ্বের তিনটি প্রধান মাংস উৎপাদক দেশ ব্রাজিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন-এ গবাদি পশুর সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। এই হ্রাসের কারণে মাংসের দামে বেড়ে যাচ্ছে এবং উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গবাদি পশু পালন ও মাংস উৎপাদনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে বিশ্বব্যাপী মাংসের ক্রাইসিসের আশঙ্কা বাড়ছে
বিশ্বের ৯০ শতাংশ মানুষের খাদ্য তালিকায় মাংসের স্থান অপরিহার্য। কিন্তু গবাদি পশু, মুরগি ও অন্যান্য মাংসপেশী প্রাণীর উৎপাদন ও সরবরাহে বর্তমানে একটি মারাত্মক ক্রাইসিসের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রাজিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন—যারা বিশ্বের মাংসের প্রায় অর্ধেক সরবরাহ করে—এই তিনটি দেশেই গবাদি পশুর সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। এই হ্রাসের কারণে মাংসের দামে বেড়ে যাচ্ছে এবং উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। বিশেষত চীন, যেখানে মাংসের দামে বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহকদের জন্য ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ব্রাজিলের গবাদি পশুর সংখ্যা ২০২৬ সালে ১৭৭.৪ মিলিয়ন থেকে কমে ১৯২.৫ মিলিয়ন (২০২৪) থেকে ৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
- 📌 **মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গবাদি পশুর সংখ্যা ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৮৬.২ মিলিয়নে নেমেছে, যেখানে গর্ভবতী গাভীর সংখ্যা ২৭.৬ মিলিয়ন (১ শতাংশ কম)।
- 📌 **চীনে গবাদি পশুর সংখ্যা ২০২৪ সালের ১০৫ মিলিয়ন থেকে ২০২৬ সালে ৯৪ মিলিয়ন (১৪ শতাংশ হ্রাস)।
- 📌 **ব্রাজিলের মাংস উৎপাদন ২০২৬ সালে ২ শতাংশ কমে যাবে, রপ্তানি ৫ শতাংশ হ্রাস পাবে।
- 📌 **মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাংস উৎপাদন ২০২৬ সালে ৪ শতাংশ কমে যাবে।
- 📌 **চীনে মাংসের সরবরাহ ২০২৪ সালের তুলনায় ১২ শতাংশ কমে যাবে, যা দামে বেড়ে যাওয়ার কারণ।
- 📌 **ব্রাজিলের মাংস রপ্তানিতে চীনের ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রধান কারণ।
- 📌 **মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে চারণভূমি হ্রাস পেয়েছে, যা খাদ্য খরচ বাড়িয়েছে।
- 📌 **মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ওক্লাহোমা ও ক্যানসাস রাজ্যের গবাদি পশু পালনকারীরা অভিবাসী শ্রমিকদের উপর নির্ভরশীল, যাদের আইসি (ICE) অভিযানগুলি তাদের ব্যবসায়ে বাধা সৃষ্টি করছে।
- 📌 **গবাদি পশুর উৎপাদন বাড়ানোর জন্য দাম বাড়লেও, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতায় তা দ্রুত সম্ভব নয়, বলেছেন পিউডার বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতির অধ্যাপক কেনেথ ফস্টার।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বের তিনটি প্রধান মাংস উৎপাদক দেশ ব্রাজিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন—এই তিন দেশের গবাদি পশুর সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। এই হ্রাসের কারণে মাংসের দামে বেড়ে যাচ্ছে এবং উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। বিশেষত চীন, যেখানে মাংসের দামে বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহকদের জন্য ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। গবাদি পশু পালন ও মাংস উৎপাদনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে বিশ্বব্যাপী মাংসের ক্রাইসিসের আশঙ্কা বাড়ছে।
ব্রাজিলের গবাদি পশুর সংখ্যা ২০২৬ সালে ১৭৭.৪ মিলিয়ন থেকে কমে ১৯২.৫ মিলিয়ন (২০২৪) থেকে ৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গবাদি পশুর সংখ্যা ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৮৬.২ মিলিয়নে নেমেছে, যেখানে গর্ভবতী গাভীর সংখ্যা ২৭.৬ মিলিয়ন (১ শতাংশ কম)। চীনে গবাদি পশুর সংখ্যা ২০২৪ সালের ১০৫ মিলিয়ন থেকে ২০২৬ সালে ৯৪ মিলিয়ন (১৪ শতাংশ হ্রাস)।
ব্রাজিলের মাংস উৎপাদন ২০২৬ সালে ২ শতাংশ কমে যাবে, রপ্তানি ৫ শতাংশ হ্রাস পাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাংস উৎপাদন ২০২৬ সালে ৪ শতাংশ কমে যাবে। চীনে মাংসের সরবরাহ ২০২৪ সালের তুলনায় ১২ শতাংশ কমে যাবে, যা দামে বেড়ে যাওয়ার কারণ। ব্রাজিলের মাংস রপ্তানিতে চীনের ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রধান কারণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে চারণভূমি হ্রাস পেয়েছে, যা খাদ্য খরচ বাড়িয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ওক্লাহোমা ও ক্যানসাস রাজ্যের গবাদি পশু পালনকারীরা অভিবাসী শ্রমিকদের উপর নির্ভরশীল, যাদের আইসি (ICE) অভিযানগুলি তাদের ব্যবসায়ে বাধা সৃষ্টি করছে। গবাদি পশুর উৎপাদন বাড়ানোর জন্য দাম বাড়লেও, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতায় তা দ্রুত সম্ভব নয়, বলেছেন পিউডার বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতির অধ্যাপক কেনেথ ফস্টার।
"গবাদি পশুর উৎপাদন বাড়ানোর জন্য দাম বাড়লেও, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতায় তা দ্রুত সম্ভব নয়।" — কেনেথ ফস্টার, পিউডার বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতির অধ্যাপক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাজিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কেনেথ ফস্টার (পিউডার বিশ্ববিদ্যালয়), অগাস্টো নেটো (এসপি গ্লোবাল), স্যাম্পাদ নান্দি (এসপি গ্লোবাল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০%, ১৭৭.৪ মিলিয়ন, ৮%, ১৯২.৫ মিলিয়ন, ৮৬.২ মিলিয়ন, ২৭.৬ মিলিয়ন, ১%, ২%, ৯৪ মিলিয়ন, ১৪%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!