📌 বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ পড়বে। সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ না দিয়ে নিজেই অংশ বহন করবে। রোববার থেকে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ পড়বে এবং সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে নিজেই অংশ বহন করবে — এ কথা বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশের অর্থনীতিকেও সেই চাপ বহন করতে হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি**: রোববার রাত ১২টা থেকে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে **২০ টাকা** বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেল **১৩৫ টাকা**, কেরোসিন **১৫৫ টাকা**, অকটেন **১৬৫ টাকা** এবং পেট্রোল **১৬০ টাকা**।
- 📌 **অর্থনৈতিক চাপ**: বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে একটি অংশ বহন করলে শেষশেষ তা **রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থার উপরেই** পড়ে।
- 📌 **বাজার নজরদারি**: বাজারে কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। সরকার অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
- 📌 **গ্যাস সরবরাহের প্রভাব**: গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং পণ্য পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।
- 📌 **নীতিগত সহায়তা**: বাজার ও ব্যবসা স্বাভাবিক রাখতে সরকার নীতিগত সহায়তা এবং কর কাঠামোর পর্যালোচনা করবে।
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সোমবার সচিবালয়ে বাজার পরিস্থিতি বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশের অর্থনীতিকেও সেই চাপ বহন করতে হয়। সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে একটি অংশ বহন করলে শেষশেষ তা রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থার উপরেই পড়ে। তাই জ্বালানির দক্ষ ও সাশ্রয়ী ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বিদ্যমান কর কাঠামোর বিভিন্ন দিকও পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি দেশে উৎপাদিত পণ্য এবং যেসব পণ্যের ঋণপত্র বা এলসি ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে কিংবা যেগুলো জাহাজীকরণ পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলোর তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।
গত ছয় মাসে তিন দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাজারে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। কেউ বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পক্ষ থেকে নিত্যপণ্যের চাহিদা, আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গত বছরের তুলনায় দেশে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি খোলার পরিস্থিতি ইতিবাচক।
"সরকার ভোক্তার ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে একটি অংশ বহন করলে শেষশেষ তা রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থার উপরেই পড়ে,
"আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশকেও এর অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হয়।"
"এক্ষেত্রে বাজার ও ব্যবসা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে মন্তব্য করে তিনি বলেন,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ টাকা (দাম বৃদ্ধি), ১৩৫ টাকা (ডিজেল), ১৫৫ টাকা (কেরোসিন), ১৬৫ টাকা (অকটেন), ১৬০ টাকা (পেট্রোল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!