📌 গার্মেন্টস ফেডারেশন ঐক্য পরিষদ (জি-ফপ) মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন ও মজুরি বৃদ্ধির বিরোধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে, কিছু সংগঠন কারখানায় সহিংসতা সৃষ্টি করে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে
গার্মেন্টস শিল্পের নেতৃস্থানীয় সংগঠন গার্মেন্টস ফেডারেশন ঐক্য পরিষদ (জি-ফপ) মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন ও মজুরি বৃদ্ধির বিরোধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে, কিছু মহল দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তুলে ধরা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গার্মেন্টস নেতারা: মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন বিরোধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে
- 📌 সরকারের ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া
- 📌 আওয়ামী লীগ-সমর্থিত নিবন্ধিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনগুলো কারখানায় সহিংসতা সৃষ্টির অভিযোগ
- 📌 গত ১২ অক্টোবর ঢাকার উত্তরায় শ্রমিক পরিচয়ে বহিরাগত ব্যক্তিরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছিল
- 📌 ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে জি-ফপ মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিতকরণের দাবি
📰 বিস্তারিত
গার্মেন্টস ফেডারেশন ঐক্য পরিষদ (জি-ফপ) আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন ও মজুরি বৃদ্ধির বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের আহ্বায়ক মির্জা আল শামীম লিখিত বক্তব্যে বলেছেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের প্রতি পাঁচ বছরের পরিবর্তে তিন বছরে মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত স্বাগত্যজনক।
শ্রম মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা উল্লেখ করে জি-ফপ বলেছে, কিছু মহল এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তারা অভিযোগ করেছে, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত নিবন্ধিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনগুলো কারখানায় অসন্তোষ সৃষ্টি করে সহিংসতা ঘটাচ্ছে। গত ১২ অক্টোবর ঢাকার উত্তরায় শ্রমিক পরিচয়ে বহিরাগত ব্যক্তিরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছিল।
জি-ফপের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের বের করে এনে অবরোধে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়েছিল। সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংগঠনটি বলেছে, এই ধরনের সহিংসতা মজুরি বোর্ড গঠনের আগে ঘটলে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জি-ফপ সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। তারা বলেছে, দেশের গার্মেন্টস শিল্পে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কর্মরত। এই শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য জি-ফপ মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা, শ্রমিক কলোনি স্থাপন এবং হাসপাতাল নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।
"শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের প্রতি পাঁচ বছরের পরিবর্তে তিন বছরে মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত স্বাগত্যজনক। তবে কিছু মহল এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় প্রেসক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা আল শামীম (জি-ফপ আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ (শ্রমিক), ১২ অক্টোবর (অবরোধ ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!