📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পোশাকশিল্পে জ্বালানি সংকটে ৭৮% কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, ৫৫% ক্রয়াদেশ বাতিল: জরিপে উন্মোচিত বিপর্যয়

পোশাকশিল্পে জ্বালানি সংকটে ৭৮% কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, ৫৫% ক্রয়াদেশ বাতিল: জরিপে উন্মোচিত বিপর্যয়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। ১৩৪টি নিট কারখানার জরিপে দেখা গেছে, ৫৫% ক্রয়াদেশ বাতিল বা কমেছে এবং ৭৮% কারখানায় উৎপাদন আংশিক বন্ধ রয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ক্রেতাদের আস্থা কমছে

বাংলাদেশের পোশাকশিল্প জ্বালানি সংকটের কারণে বিপর্যস্ত। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ১৩৪টি নিট কারখানার জরিপে দেখা গেছে, আগস্টের শেষ থেকে ৫৫ শতাংশ কারখানার ক্রয়াদেশ বাতিল বা কমেছে। একই সময়ে ৭৮ শতাংশ কারখানায় উৎপাদন আংশিক বন্ধ রয়েছে। সংকটের কারণে পণ্য সরবরাহে দেরি এবং কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে কারখানাগুলোকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩৪টি নিট কারখানার জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ ক্রয়াদেশ বাতিল বা কমেছে
  • 📌 ৭৮ শতাংশ কারখানায় উৎপাদন আংশিক বন্ধ রয়েছে
  • 📌 ফোর এ ইয়ার্ন ডায়িংয়ের মতো কিছু কারখানায় স্বাভাবিক উৎপাদন চলছে, কারণ তারা নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যবহার করে
  • 📌 জ্বালানির দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয় ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 সরকার জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ ১৭.৪ শতাংশ বাড়িয়েছে
  • 📌 পোশাক রপ্তানিকারকরা মুনাফা কমে যাওয়ায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে

📰 বিস্তারিত

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের অবস্থা খুবই চাপদার। ১৩৪টি নিট কারখানার জরিপে দেখা গেছে, আগস্টের শেষ থেকে ৫৫ শতাংশ কারখানার ক্রয়াদেশ কমেছে বা বাতিল হয়েছে। একই সময়ে ৭৮ শতাংশ কারখানায় উৎপাদন আংশিক বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এই সংকটের প্রভাব পড়ছে পণ্য সরবরাহেও। অনেক কারখানা দেরি করে পণ্য পাঠাচ্ছে এবং কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ওয়ালমার্ট, গ্যাপ ও নেক্সটের সরবরাহকারী ফোর এ ইয়ার্ন ডায়িংয়ে এখনও স্বাভাবিকভাবে উৎপাদন চলছে। কারখানাটিতে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ শ্রমিক কাজ করেন। এই কারখানাটি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যার মধ্যে সৌরবিদ্যুৎও রয়েছে। ফোর এর কর্ণধার আবদুল্লাহ হিল নকীব বলেন, ‘বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আমরা কখনো একক জ্বালানি উৎসের ওপর নির্ভর করিনি, সবকিছুর বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে ব্যবসার খরচ বেড়েছে।’

জ্বালানির দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয় ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাসে জ্বালানি বাবদ অতিরিক্ত প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। সোমবার বাংলাদেশে জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ ১৭.৪ শতাংশ বাড়ানোর পর কারখানাগুলো আরও চাপে পড়েছে। সরকার জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম বাড়ানো প্রয়োজন ছিল।

পোশাক রপ্তানিকারক শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, ‘আমাদের মুনাফার হার এমনিতেই খুব কম, জ্বালানির দাম বাড়ায় তা আরও কমে যাবে। উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আমাদের পক্ষে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।’ তিনি আরও বলেন, কানাডার এক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান জানিয়েছিল, তারা ২৫ হাজার পোশাক নেবে। শেষ পর্যন্ত তারা মাত্র আট হাজার পোশাক নেবে বলে জানিয়েছে।

"আমরা বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে পেরেছি। তবে সব কারখানার পক্ষে তা সম্ভব নয়।"

ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আমরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারব, নাকি পিছিয়ে পড়ব, তা নির্ভর করবে পরিস্থিতি সামলানোর ওপর।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন নিট কারখানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ হিল নকীব, শহিদুল্লাহ আজিম, মহিউদ্দিন রুবেল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৪টি কারখানা, ৫৫%, ৭৮%, ৭ হাজার ৫০০ শ্রমিক, ৪০%, ৫০ লাখ টাকা, ১৭.৪%

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖