📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ইউরোপের শীতকালীন গ্যাস সংকট: বাংলাদেশসহ এশিয়ার জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ইউরোপের শীতকালীন গ্যাস সংকট: বাংলাদেশসহ এশিয়ার জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে কাতারের এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা ইউরোপের শীতকালীন গ্যাস সংকটকে আরও তীব্র করছে। এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষত বাংলাদেশ, সরবরাহের ঘাটতিতে পড়ছে এবং দাম বেড়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, শীতকালীন চাহিদা বাড়লে ইউরোপ-এশিয়া প্রতিযোগিতা তীব্র হতে পারে, যা গ্যাসের দামকে ৪০ ডলারে উঠিয়ে দিতে পারে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে ইউরোপের শীতকালীন গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়ে পড়তে পারে, যা বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য একটি বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালির বন্ধের কারণে কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে সরবরাহের ঘাটতি সৃষ্টি করেছে। এতে ইউরোপের গ্যাসের মজুত সংকটের মুখে পড়েছে, যেখানে এশিয়ার দেশগুলো সরবরাহের জন্য প্রতিযোগিতা করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **হরমুজ প্রণালির বন্ধের কারণে** কাতার গত বছরের তুলনায় মাত্র ৯৮টি এলএনজি জাহাজের চালান পাঠাতে পেরেছে, যা ৫৩৬টি কম — প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ টন সরবরাহের ঘাটতি সৃষ্টি করেছে, যা বিশ্বের এলএনজি সরবরাহের প্রায় ৯ শতাংশ।
  • 📌 **এশিয়ায় এলএনজির দাম** প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে ২৫ ডলারে উঠেছে, যা যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের তুলনায় ১৪০ শতাংশ বেশি — তবে এখনো ২০২২ সালের সর্বোচ্চ ৭০ ডলারের মতো নয়।
  • 📌 **ইউরোপের গ্যাসের মজুত** বর্তমানে মাত্র ৭২ শতাংশ পূর্ণ, যা বছরের এই সময়ের সর্বনিম্ন — জার্মানির মজুত মাত্র ৫৭ শতাংশ। শীতকালীন চাহিদা বাড়লে দাম ৩০ থেকে ৪০ ডলারে উঠতে পারে।
  • 📌 **বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো** শীতকালীন চাহিদা মেটাতে অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য প্রতিযোগিতা করছে, যা গ্যাসের দাম আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
  • 📌 **কাতার** যুদ্ধের কারণে এলএনজি উৎপাদনকেন্দ্রগুলো পুরোপুরি চালু করেনি, যা আগামী শীতের আগে ইউরোপের মজুত পূরণে প্রায় ২ কোটি টন অতিরিক্ত সরবরাহের প্রয়োজন সৃষ্টি করেছে।

📰 বিস্তারিত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্বের এলএনজি বাজার একটি অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। একদিকে, সরবরাহ সংকট এবং দাম বাড়ছে, অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে নতুন এলএনজি প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে ২০৩০ সালের দিকে অতিরিক্ত সরবরাহ আসার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বর্তমান সংকটের কারণে এই অতিরিক্ত সরবরাহের সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।

ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর কাতার ঘোষণা দেয় যে তারা চুক্তি অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে না। ফলে বাজারে প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ টন এলএনজি ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি। এশিয়ায় এলএনজির দাম প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে ২৫ ডলারে উঠেছে, যা যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের তুলনায় ১৪০ শতাংশ বেশি। তবে এখনো ২০২২ সালের সর্বোচ্চ ৭০ ডলারের মতো নয়।

শীতের আগে ইউরোপের গ্যাসের মজুত সংকটের মুখে পড়েছে। বর্তমানে ইউরোপের গ্যাসের মজুত মাত্র ৭২ শতাংশ পূর্ণ, যা বছরের এই সময়ের সর্বনিম্ন। জার্মানির মজুত মাত্র ৫৭ শতাংশ। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সিক্স ওয়ান কমোডিটিজের মডেলিং অনুযায়ী, শীতকালীন আবহাওয়ার কারণে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, শীত বেশি না পড়লে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে কাতারের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে ইউরোপ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে। তবে এই দুটি শর্তে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

"নভেম্বরে অপ্রত্যাশিতভাবে ঠান্ডা পড়লে ইউরোপে এলএনজি কেনার প্রতিযোগিতা বেড়ে যাবে। তখন প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের দাম ৩০ থেকে ৪০ ডলারে উঠতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মধ্যপ্রাচ্য (হরমুজ প্রণালি), ইউরোপ (বিশেষত জার্মানি), এশিয়া (বাংলাদেশসহ), যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশ্লেষক ঝি শিন চং (এসএন্ডপি গ্লোবাল)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৮টি (এলএনজি জাহাজ), ৫৩৬টি (ঘাটতি), ৩ কোটি ৯০ লাখ টন (সরবরাহের ঘাটতি), ৯ শতাংশ (বিশ্বের সরবরাহের শতাংশ), ২৫ ডলার (এশিয়ার এলএনজি দাম), ১৪০ শতাংশ (দাম বাড়ার হার), ৭০ ডলার (২০২২ সালের সর্বোচ্চ দাম), ১৯ কোটি ৩০ লাখ টন (চলতি বছরের এলএনজি আমদানি), ৩০-৪০ ডলার (শীতকালীন সম্ভাব্য দাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖