📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনা বিনিয়োগে এগিয়ে ইপিজেড: বাংলাদেশে ৩৮ দেশের বিনিয়োগের মোট পরিমাণ ৭৪২ কোটি ডলার

চীনা বিনিয়োগে এগিয়ে ইপিজেড: বাংলাদেশে ৩৮ দেশের বিনিয়োগের মোট পরিমাণ ৭৪২ কোটি ডলার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের ইপিজেডে সর্বাধিক বিনিয়োগ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান। শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের নাম রয়েছে। বেপজা তথ্য অনুযায়ী, ৩৮টি দেশের মোট বিনিয়োগ ৭৪২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার

বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গুলোতে সর্বাধিক বিনিয়োগ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান। বেপজা তথ্য অনুসারে, চীনা কোম্পানিগুলো এককভাবে ১৭৮ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এতে তাইওয়ান ও হংকংয়ের কোম্পানিগুলোও অন্তর্ভুক্ত। ইপিজেডে বিনিয়োগের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। বর্তমানে ইপিজেডগুলোতে মোট ৩৮টি দেশের বিনিয়োগ রয়েছে, যার মোট পরিমাণ ৭৪২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চীনা কোম্পানিগুলো এককভাবে সর্বাধিক বিনিয়োগ করেছে ইপিজেডে — ১৭৮ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার
  • 📌 বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা দ্বিতীয় অবস্থানে — যৌথ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আলাদা হিসাব করা হয়েছে
  • 📌 শীর্ষ ১০ বিনিয়োগকারী দেশের তালিকায় দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, শ্রীলঙ্কা, ভারত, কানাডা, নেদারল্যান্ডস রয়েছে
  • 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ প্রায় ১২০ কোটি ডলার, জাপানের ৬৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার
  • 📌 গত তিন বছরে (২০২৪-২৫, ২০২৫-২৬, ২০২৬-২৭ অর্থবছর) বেপজা ৭৩টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জমি ইজারা চুক্তি করেছে — ৪৬টি চীনা প্রতিষ্ঠান
  • 📌 নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাবের মধ্যে ৯২ কোটি ৪১ লাখ ডলার বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনে বিনিয়োগ করা হবে
  • 📌 ইপিজেডে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে তাঁবু, কসমেটিকস, গলফ শ্যাফট, পাটপণ্য, মোবাইল যন্ত্রাংশ, ড্রোন, ব্লুটুথ হেডফোন, কৃষিপণ্য ইত্যাদি

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গুলোতে সর্বাধিক বিনিয়োগ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান। বেপজা তথ্য অনুসারে, চীনা কোম্পানিগুলো এককভাবে ১৭৮ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এতে তাইওয়ান ও হংকংয়ের কোম্পানিগুলোও অন্তর্ভুক্ত। ইপিজেডে বিনিয়োগের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। বর্তমানে ইপিজেডগুলোতে মোট ৩৮টি দেশের বিনিয়োগ রয়েছে, যার মোট পরিমাণ ৭৪২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।

বেপজা তথ্য অনুসারে, গত সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই হিসাব। ইপিজেডে বিনিয়োগের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। যৌথ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশ আলাদা করে ধরা হয়েছে। বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষ ১০ বিনিয়োগকারী দেশের তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, শ্রীলঙ্কা, ভারত, কানাডা, নেদারল্যান্ডস। তালিকায় আরও আছে ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, জার্মানি, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কেম্যান আইল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আয়ারল্যান্ড, বেলজিয়াম, ইতালি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, স্পেনসহ মোট ৩৮টি দেশ।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ প্রায় ১২০ কোটি ডলার, জাপানের ৬৪ কোটি ৫০ লাখ, যুক্তরাষ্ট্রের ৪২ কোটি, যুক্তরাজ্যের ৩০ কোটি, শ্রীলঙ্কার ২৬ কোটি, ভারতের ২৬ কোটি, কানাডার ১৪ কোটি ও নেদারল্যান্ডসের ১২ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। বিনিয়োগ প্রস্তাবেও শীর্ষে রয়েছে চীন। গত ২০২৪-২৫, ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে বেপজা ৭৩টি নতুন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জমি ইজারার চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ১৩১ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলার। এই ৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৬টি চীনা প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে অন্য দেশের যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ৮৫ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সম্পূর্ণ বাংলাদেশি মালিকানাধীন ১৫টি প্রতিষ্ঠান, যাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ ২০ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের ৪টি করে প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রস্তাব রয়েছে।

ইপিজেডে উৎপাদিত পণ্যের বৈচিত্র্য রয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৩৩ শতাংশ তৈরি পোশাক, ১৮ শতাংশ পোশাক উপকরণ ও ৮ শতাংশ বস্ত্রপণ্য রপ্তানি করছে। বাকি ৪১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বৈচিত্র্যময় পণ্য রপ্তানি করছে। এসব পণ্য বিশ্বের ১২৯টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। নতুন বিনিয়োগ চুক্তি করা কোম্পানিগুলো প্রথাগত পোশাক খাতের বাইরে বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনে জোর দিচ্ছে। যেমন, ড্রোন, ব্লুটুথ হেডফোন, ডেটা কেব্ল, লাগেজ, স্পোর্টসওয়্যার, এলইডি বাল্ব, তামার তার ও শিট, তাঁবু ও ক্যাম্পিং সামগ্রী, কৃষিপণ্য, ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক্যাল আইটেম এবং ব্যাটারি প্লেটসের মতো পণ্য উৎপাদন হবে।

"বেপজা তথ্য অনুসারে, গত তিন বছরে ইপিজেডে নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাবের মধ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে রয়েছে। এতে বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের ইপিজেড (চট্টগ্রাম, ঢাকা), দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, আরব আমিরাত, ভারত, স্পেনসহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮টি দেশের মোট বিনিয়োগ ৭৪২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার; চীনা বিনিয়োগ ১৭৮ কোটি ২৫ লাখ ডলার; ৭৩টি নতুন প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রস্তাব ১৩১ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖