📌 সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের হুমকি দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, বাজার অস্থিরতা সৃষ্টি করলে সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে। বৈশ্বিক সংকটের কারণে এলপিজি সরবরাহে চ্যালেঞ্জ থাকলেও সরকার দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে
সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের হুমকি দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সরকারের সাথে আলোচনার পরও সমাধান না পেলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এলপিজি বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আজ সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানান, বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করলে সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
- 📌 জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করলে সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
- 📌 বৈশ্বিক সংকটের কারণে এলপিজি সরবরাহে চ্যালেঞ্জ থাকলেও সরকার দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।
- 📌 ৩০ অক্টোবর আবার আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- 📌 ভারতের মতো বাংলাদেশে এলপিজিতে কোনো সরকারি ভর্তুকি নেই, ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের প্রভাব দেশের বাজারে পড়ে।
📰 বিস্তারিত
সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের হুমকি দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান গত সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানান, ব্যবসায়ীদের দাবি পূরণ না হলে এই কর্মসূচি আরও কঠোর হতে পারে। সরকারের সাথে আলোচনার পরও সমাধান না পেলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এলপিজি বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আজ সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটিয়ে বারবার দাম বাড়ানোর চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে বৈশ্বিক সংকটের কারণে এলপিজি আমদানি ও সরবরাহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা ও আমদানির উৎস নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভোক্তাদের জন্য সহনীয় দামে এলপিজি সরবরাহের চেষ্টা করছে সরকার।
মন্ত্রী আরও বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে অস্থিরতা চলছে। বাংলাদেশের বেসরকারি আমদানিকারকদেরও বিকল্প উৎস খুঁজতে হচ্ছে। দীর্ঘ মেয়াদে সরবরাহে ঘাটতি এড়ানো ও আগামী বছর পর্যাপ্ত এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করার কৌশল নিয়ে অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, এলপিজির সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার। তবে দাবি আদায়ে ধর্মঘটের মাধ্যমে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করা হলে তা বরদাশত করা হবে না। তিনি বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এলপিজি আমদানি করে। সরকার সরাসরি এলপিজি আমদানি করে না। তবে বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। ব্যবসায়ীদের লাভ–লোকসান, কমিশনসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের কথা শুনতে ও যৌক্তিক সমস্যার সমাধান করতে প্রস্তুত। তবে কেউ নিজের স্বার্থে বাজারব্যবস্থার অপব্যবহার করলে বা জনস্বার্থবিরোধী পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করলে সরকার তা মেনে নেবে না।
"পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটিয়ে বারবার দাম বাড়ানোর চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। ব্যবসায়ীদের আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারা দেশ), সচিবালয় (ঢাকা)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. সেলিম খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ও ১৬ অক্টোবর (এলপিজি বিক্রি বন্ধ), ৩০ অক্টোবর (আবার আলোচনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!