📌 বেসরকারি এলপিজি কোম্পানিগুলো পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। সরকারি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ২৩৫ টাকা ৪২ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে। ২৯ অক্টোবর বিইআরসি গণশুনানি করবে এই প্রস্তাবসমূহের ওপর।
দেশের এলপিজি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবের কারণে। বেসরকারি কোম্পানিগুলো পরিচালন ব্যয়, পরিবহন খরচ ও কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে সরকারি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ২৩৫ টাকা ৪২ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবসমূহের ওপর ২৯ অক্টোবর গণশুনানি করবে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বর্তমানে সরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ৬২ টাকা ১৫ পয়সা, বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ০৬ পয়সা — দ্বিগুণ বেশি
- 📌 সরকারি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ২৩৫ টাকা ৪২ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে
- 📌 বেসরকারি কোম্পানিগুলো পরিচালন ব্যয়, পরিবহন খরচ ও কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে
- 📌 প্রতি মাসে দেশে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টন এলপিজি ব্যবহার হয়, যার মধ্যে মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বিক্রি করে সরকারি কোম্পানি
- 📌 ২৯ অক্টোবর বিইআরসি গণশুনানি করবে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবসমূহের ওপর
📰 বিস্তারিত
বর্তমানে সরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ৬২ টাকা ১৫ পয়সা হলেও বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ০৬ পয়সা — যা দ্বিগুণ বেশি। এই দামের বৈষম্যের কারণে সরকারি এলপিজি নিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম চলে আসছে। বেসরকারি এলপিজি কোম্পানিগুলো পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। তারা ব্যাংকঋণের সুদহার, পরিবহন খরচ, কারখানা পরিচালনা ও নিরাপত্তার ব্যয় বাড়ার কারণে কমিশন বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে।
সরকারি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ৮২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২৩৫ টাকা ৪২ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবে সৌদি চুক্তি মূল্য (সিপি) অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণের পাশাপাশি ডিলারদের পরিবহন খরচ ২১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ টাকা এবং কমিশন ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫২ টাকার করার কথা বলা হয়েছে।
বেসরকারি কোম্পানিগুলোও তাদের প্রস্তাবে প্রতি কেজি এলপিজি মজুত ও বোতলীকরণের খরচ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। ওমেরা এলপিজি প্রতি কেজি মজুত ও বোতলীকরণের খরচ ১২ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২১২ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। ফ্রেশ এলপিজি প্রতি কেজি খরচ বাড়িয়ে ২৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি ২০২৫ সালের মে মাসে সাড়ে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ৬৯০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮২৫ টাকা করেছিল। গত জানুয়ারি মাসে বেসরকারি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৬০ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। বেসরকারি সিলিন্ডারের তুলনায় সরকারি সিলিন্ডারের দাম অনেক কম হওয়ায় সরকারি এলপিজি বেসরকারি সিলিন্ডারে ভরে (ক্রস ফিলিং) নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রয় করা হয়।
"বিপিসির সিলিন্ডারের দাম অনেক কম হওয়ায় সরকারি গ্যাস বেসরকারি সিলিন্ডারে ভরে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রয় করা হয়। এতে প্রান্তিক পর্যায়ে অনেক গ্রাহক কম দামে সরকারি এলপি গ্যাস পাচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বেসরকারি এলপিজি কোম্পানির পরিচালকগণ, সরকারি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেডের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৩৫ টাকা ৪২ পয়সা, প্রতি কেজি সরকারি এলপিজির দাম ৬২ টাকা ১৫ পয়সা, প্রতি কেজি বেসরকারি এলপিজির দাম ১৫৩ টাকা ০৬ পয়সা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!